1. admin@thedailypadma.com : admin :
চট্টগ্রামে যে মসজিদে হযরত মুহাম্মদ (সা:) এর পদচিহ্ন রক্ষিত রয়েছে - দ্য ডেইলি পদ্মা
রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫, ০১:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলা, অগ্নিসংযোগ নুরের ওপর হামলার ঘটনায় অন্তর্বর্তী সরকারের তীব্র নিন্দা নুরুল হক নুরের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা নুরুল হক নুরের কিছুটা হুঁশ ফিরেছে, আইসিইউতে চিকিৎসাধীন নুরের ওপর হামলার পুরো ঘটনা আমরা তদন্ত করব এক নজরে বিশ্ব সংবাদ: ২৯ আগস্ট ২০২৫ আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি ৩০ আগস্ট থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতোংতার্ন সিনাওয়াত্রাকে ক্ষমতাচ্যুত করেছে দেশটির সাংবিধানিক আদালত দেশে মধ্যপন্থা ও উদার পন্থার রাজনীতি ও গণতন্ত্রকে সরিয়ে উগ্রবাদের রাজনীতি ফিরিয়ে আনার ষড়যন্ত্র চলছে

চট্টগ্রামে যে মসজিদে হযরত মুহাম্মদ (সা:) এর পদচিহ্ন রক্ষিত রয়েছে

  • Update Time : শুক্রবার, ৮ এপ্রিল, ২০২২
  • ৩১৫ Time View

চট্টগ্রামে নগরীর কদম মোবারক মসজিদ,যেখানে রয়েছে রাসুলে পাক (সা:)এবং বড় পীর আব্দুল কাদের জিলানী (র:) এর পা মোবারকের পাথরের ছাপ।

মোগল-আমলের অনুপম পুরাকীর্তি মোমিন সড়কের কদম মোবারক মসজিদ। এ মসজিদটি চসিক-এর অধীন জামালখান ওয়ার্ডে অবস্থিত। এই মসজিদ সংলগ্ন এলাকাটিও ‘কদম মোবারক’ নামে পরিচিত। কদম মোবারক নামটি এসেছে দুটি পাথরের পবিত্র পদচিহ্ন থেকে।
এ মসজিদের উত্তর ও দক্ষিণ পাশে দুটি ছোট কামরা আছে। উত্তর দিকের কামরায় হজরত মুহাম্মদ (স.)-এর ডান পায়ের ছাপ বিশিষ্ট প্রস্তরখণ্ড সংরক্ষিত আছে। এর পাশে রয়েছে বড়পীর হজরত আবদুল কাদের জিলানি (র.)-এর পদচিহ্ন।
কদম মোবারক মসজিদ-এর ইতিহাস

মোঘল ফৌজদার ইয়াসিন খাঁন কর্তৃক এই মসজিদ নির্মিত হয়। মোঘল শাসকরার মগ এবং পর্তুগীজদের হাত থেকে চট্টগ্রামকে মুক্ত করে মোঘল শাসন প্রতিষ্ঠিত পর তাদের বিজয়ের নির্দশন স্বরূপ বহুমসজিদ নির্মাণ করেন।

এমনই এক মসজিদ ‘কদম মোবারক শাহী জামে মসজিদ’।

মসজিদের মূল কক্ষে রক্ষিত এক শিলাখন্ডে হযরত মুহম্মদ (সা.) এর একজোড়া পবিত্র পদচিহ থেকে এ মসজিদের নামকরণ।কদম মোবারক মসজিদ এর ইতিহাস 

কথিত আছে, মসজিদের প্রথম মুতওলি ইয়াছিন মুহাম্মদ খান পবিত্র মদিনা শরিফ থেকে মহানবী (স.)-এর কদমের ছাপ সংগ্রহ করেছিলেন। উত্তর দক্ষিণে বিস্তৃত আয়তাকার মসজিদটি পাঁচ গম্বুজের। একটি বড় গম্বুজ আর দুপাশে দুটি ছোট গম্বুজ যার উত্তর ও দক্ষিণে চারকোনা আরও দুটি গম্বুজ রয়েছে। সামনের দেয়ালের মাঝের দরজার দুপাশে আছে খিলান দেওয়া তিনটি দরজা। দরজা-সোজা ভেতরে পশ্চিম দেয়ালে আছে তিনটি মেহরাব।
স্থাপত্যের ক্ষেত্রে মোগলেরা খিলান গম্বুজ ও খিলান ছাদকে প্রাধান্য দিত। লতাগুল্মের নকশা, আরবি ক্যালিওগ্রাফি, জ্যামিতিক রেখাচিত্র, মোজাইক নকশা বসানো পাথরের সাজে সজ্জিত মসজিদটি। বিভিন্ন সময়ে সংস্কার ও সম্প্রসারণের পরও সর্বত্র প্রাচীনতা ও মোগল স্থাপত্যের সৌন্দর্য এতটুকু কমেনি। এ মসজিদকে কেন্দ্র করে আরও অনেক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী প্রতিষ্ঠা করেন কদম মোবারক মুসলিম এতিমখানা। এটিই চট্টগ্রামের সবচেয়ে বড় এতিমখানা। গড়ে উঠেছে কদম মোবারক উচ্চবিদ্যালয় ও ইসলামাবাদী স্মৃতি মিলনায়তন। মুতওলি আজাদ উল্লাহ খান বলেন, ‘মসজিদ-দরগাসংলগ্ন প্রশস্ত আঙিনায় একটি ইসলামি গবেষণাকেন্দ্র, চিকিৎসাকেন্দ্র ও কবরস্থান গড়ে তোলার প্রক্রিয়া চলছে। এ ছাড়া একটি আধুনিক ইসলামি কমপ্লেক্স গড়ে তোলার পরিকল্পনাও আছে।

এই উৎকীর্ণ শিলালিপি থেকে জানা যায় যে, মুহম্মদ ইয়াসিন নামে এক স্থানীয় ফৌজদার মুগল সম্রাট মুহম্মদ শাহ এর শাসনামলে ১১৫৬ হিজরিতে (১৭২৩ খ্রি.) এ মসজিদ নির্মাণ করেন।

তিনি নিজস্ব খরচে চট্টগ্রাম শহরের প্রাণ কেন্দ্র চেরাগীর পাহাড় (মোমিনরোড) এলাকায় এই মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

১৭১৯ থেকে ১৭২৩ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ চার বছরে মসজিদের নির্মাণ কাজ সমাপ্ত হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
স্বপ্নপূরণের ক্ষণগণনা
অপেক্ষা উদ্বোধনের
দিন
ঘন্টা
মিনিট
সেকেন্ড
© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Theme Customized By BreakingNews