1. admin@thedailypadma.com : admin :
নতুন টাকার রমরমা ব্যবসা - দ্য ডেইলি পদ্মা
রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫, ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলা, অগ্নিসংযোগ নুরের ওপর হামলার ঘটনায় অন্তর্বর্তী সরকারের তীব্র নিন্দা নুরুল হক নুরের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা নুরুল হক নুরের কিছুটা হুঁশ ফিরেছে, আইসিইউতে চিকিৎসাধীন নুরের ওপর হামলার পুরো ঘটনা আমরা তদন্ত করব এক নজরে বিশ্ব সংবাদ: ২৯ আগস্ট ২০২৫ আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি ৩০ আগস্ট থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতোংতার্ন সিনাওয়াত্রাকে ক্ষমতাচ্যুত করেছে দেশটির সাংবিধানিক আদালত দেশে মধ্যপন্থা ও উদার পন্থার রাজনীতি ও গণতন্ত্রকে সরিয়ে উগ্রবাদের রাজনীতি ফিরিয়ে আনার ষড়যন্ত্র চলছে

নতুন টাকার রমরমা ব্যবসা

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২২
  • ২৮৭ Time View

ঈদ মানেই আনন্দ। আর সালামি মানেই নতুন টাকা! সালামি হিসেবে নতুন টাকা পেলে শিশুদের ঈদ আনন্দ বহুগুণে বেড়ে যায়। শুধু ছোটদেরই নয়, নতুন কড়কড়ে নোট পেতে বড়দেরও ভালো লাগে। এ জন্য ঈদ এলেই কদর বাড়ে টাকার নতুন নোটের। অনেকে ফিতরা ও জাকাত হিসেবেও চকচকে নতুন নোট দেন।

রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে গড়ে উঠেছে অস্থায়ী নতুন টাকার দোকান। চাহিদা বাড়ায় নতুন নোটের পসরা সাজিয়ে বসেছেন বিক্রেতারা। ক্রেতাদের ভিড়ও চোখে পড়ার মতো। ব্যাংকের লাইনে দাঁড়িয়ে যারা সময় নষ্ট করতে চান না, অথবা অফিস সময়ের পরে ঝামেলামুক্তভাবে নতুন টাকা নিতে চান, মূলত তারাই এসব অস্থায়ী দোকানের ক্রেতা। সে ক্ষেত্রে বান্ডিল (১০০টি নোট) প্রতি নোটভেদে ৫০ থেকে ১৫০ টাকা বেশি দিতে হচ্ছে।

রাজধানীর বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে, গুলিস্তান ও মার্কেটের পাশে দেখা মেলে নতুন টাকার কারবারিদের। অস্থায়ী বাজারের বিক্রেতারা জানান, ঈদে ১০ ও ২০ টাকার নতুন নোটের চাহিদা বেশি। ৫০ ও ১০০ টাকার বান্ডেলের চাহিদা খুব একটা নেই।

বিক্রেতারা আরোও জানান, ১০ টাকার নোটের চাহিদা বেশি। ১০ টাকার একটি বান্ডিলের মূল্যমান এক হাজার টাকা হলেও এসব টাকার দোকান থেকে নিতে হলে কোথাও এক হাজার ১৫০ টাকা, আবার কোথাও এক হাজার ১২০ টাকা গুনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।

২০ টাকার বান্ডিল কিনতে হলে মূল্যমান দুই হাজার টাকার সঙ্গে বাড়তি দিতে হয় আরও ১০০ টাকা। ৫০ টাকার নোটে পাঁচ হাজারে বাড়তি ১০০ টাকা গুনতে হয় ক্রেতাদের। ১০০ টাকার এক বান্ডিলের নোটে ১০ হাজার টাকায় বাড়তি ১০০ টাকা এবং ২০০ টাকার নোটে হাজারে ২০ টাকা বেশি রেখে বিক্রি হচ্ছে। তবে বান্ডিল ছাড়া ভেঙে ভেঙে বিক্রির ক্ষেত্রে দাম আরও চড়া।

বিক্রেতা আরিফ হোসেন জানান, প্রথম নতুন নোট নিয়ে মানুষের তেমন আগ্রহ ছিল না। তেমন বিক্রিও হয়নি। কিন্তু ঈদের বাকি আর মাত্র কয়েক দিন। এখন ১০ টাকা ও ২০ টাকার চাহিদা বেশি। সবাই এ দুই ধরনের নোট কিনছেন। পাশাপাশি নতুন ৫০ টাকাও কেউ কেউ নিচ্ছেন।

এ ছাড়া নতুন নোট সংগ্রহের বিষয়ে দোকানিরা জানান, ব্যাংকে তাদের ঢুকতে দেয় না। এ জন্য সরাসরি ব্যাংক থেকে নতুন টাকা তারা নিতে পারেন না। আগে থেকেই যোগাযোগ থাকে ব্যাংকে। কিন্তু অনেক হাত ঘুরে টাকা তাদের হতে আসে। এ জন্য দাম বেশি পড়ে যায়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
স্বপ্নপূরণের ক্ষণগণনা
অপেক্ষা উদ্বোধনের
দিন
ঘন্টা
মিনিট
সেকেন্ড
© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Theme Customized By BreakingNews