1. admin@thedailypadma.com : admin :
ব্যাংক থেকে উধাও নতুন টাকা কিন্তু বাহিরে মিলছে ১ হাজারের দাম ১২’শ টাকা - দ্য ডেইলি পদ্মা
রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫, ১২:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলা, অগ্নিসংযোগ নুরের ওপর হামলার ঘটনায় অন্তর্বর্তী সরকারের তীব্র নিন্দা নুরুল হক নুরের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা নুরুল হক নুরের কিছুটা হুঁশ ফিরেছে, আইসিইউতে চিকিৎসাধীন নুরের ওপর হামলার পুরো ঘটনা আমরা তদন্ত করব এক নজরে বিশ্ব সংবাদ: ২৯ আগস্ট ২০২৫ আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি ৩০ আগস্ট থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতোংতার্ন সিনাওয়াত্রাকে ক্ষমতাচ্যুত করেছে দেশটির সাংবিধানিক আদালত দেশে মধ্যপন্থা ও উদার পন্থার রাজনীতি ও গণতন্ত্রকে সরিয়ে উগ্রবাদের রাজনীতি ফিরিয়ে আনার ষড়যন্ত্র চলছে

ব্যাংক থেকে উধাও নতুন টাকা কিন্তু বাহিরে মিলছে ১ হাজারের দাম ১২’শ টাকা

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২২
  • ২৫৫ Time View

প্রতি বছর ঈদকে সামনে রেখে বাংলাদেশ ব্যাংক চাহিদা অনুযায়ি নতুন টাকা বাজারে ছেড়ে থাকে। তবে এক শ্রেণির অসাধু ব্যসায়ীরা নতুন টাকাকে ঘিরে সিন্ডিকেট তৈরি করে থাকে প্রতি বছরই। ৫’শ, ১ হাজার টাকার নতুন নোট ব্যাংকে মিললেও মিলছে না ছোট টাকার নোট। তবে এই নতুন টাকা মিলছে বাহিরে। বর্তমানে ১০ টাকার নতুন বান্ডেলের দাম হাকা হচ্ছে ১২’শ টাকা। শুধু ১০ টাকা না, যে কোন নতুন টাকা নিতে হলে হাজার প্রতি বাড়তি লাগছে আরও ১’শ থেকে ৩’শ টাকা পর্যন্ত।

তথ্য অনুযায়ি এবছরেও ২৪ হাজার কোটি টাকা বাজারে ছেড়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রাজধানীর অনেক অঞ্চলের ব্যাংকগুলোতে মিলছে না নতুন টাকা। সরেজমিনে শ্যামলী রিং রোডের ব্যাংক এশিয়া, যমুনা ব্যাংক, ডাচ-বাংলা ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংকসহ বেশ কয়েকটি ব্যাংক ঘুরে পাওয়া যায় এমন তথ্য।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যাংক ম্যানেজার  বলেন, আমরা বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে চাহিদাপত্র দেওয়ার পরও নতুন টাকার ছোট নোট, যেমন ১০০ টাকা, ৫০ টাকা, ১০ টাকা, ৫ টাকা পায় নি। ২৪ হাজার কোটি টাকা বাজারে ছেড়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এরপরও আমাদের হাতে নতুন নোট পৌঁছাইনি। নতুন নোটের চাহিদা বেশি থাকায় এক শ্রেণি ঈদকে সামনে রেখে ব্যবসা করে থাকে। আমাদের দেয়া হয়েছে ৫শ এবং ১ হাজার টাকার নতুন নোট। যার চাহিদা নাই তেমন।

রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে গড়ে উঠেছে অস্থায়ী নতুন টাকার দোকান। চাহিদা বাড়ায় নতুন নোটের পসরা সাজিয়ে বসেছেন বিক্রেতারা। ক্রেতাদের ভিড়ও চোখে পড়ার মতো। ব্যাংকের লাইনে দাঁড়িয়ে যারা সময় নষ্ট করতে চান না, অথবা অফিস সময়ের পরে ঝামেলামুক্তভাবে নতুন টাকা নিতে চান, মূলত তারাই এসব অস্থায়ী দোকানের ক্রেতা। সে ক্ষেত্রে বান্ডিল (১০০টি নোট) প্রতি নোটভেদে ৫০ থেকে ১৫০ টাকা বেশি দিতে হচ্ছে।

রাজধানীর বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে, গুলিস্তান ও মার্কেটের পাশে দেখা মেলে নতুন টাকার কারবারিদের। অস্থায়ী বাজারের বিক্রেতারা জানান, ঈদে ১০ ও ২০ টাকার নতুন নোটের চাহিদা বেশি। ৫০ ও ১০০ টাকার বান্ডেলের চাহিদা খুব একটা নেই।

বিক্রেতারা আরোও জানান, ১০ টাকার নোটের চাহিদা বেশি। ১০ টাকার একটি বান্ডিলের মূল্যমান এক হাজার টাকা হলেও এসব টাকার দোকান থেকে নিতে হলে কোথাও এক হাজার ১৫০ টাকা, আবার কোথাও এক হাজার ১২০ টাকা গুনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।

২০ টাকার বান্ডিল কিনতে হলে মূল্যমান দুই হাজার টাকার সঙ্গে বাড়তি দিতে হয় আরও ১০০ টাকা। ৫০ টাকার নোটে পাঁচ হাজারে বাড়তি ১০০ টাকা গুনতে হয় ক্রেতাদের। ১০০ টাকার এক বান্ডিলের নোটে ১০ হাজার টাকায় বাড়তি ১০০ টাকা এবং ২০০ টাকার নোটে হাজারে ২০ টাকা বেশি রেখে বিক্রি হচ্ছে। তবে বান্ডিল ছাড়া ভেঙে ভেঙে বিক্রির ক্ষেত্রে দাম আরও চড়া।

বিক্রেতা আরিফ হোসেন জানান, প্রথম নতুন নোট নিয়ে মানুষের তেমন আগ্রহ ছিল না। তেমন বিক্রিও হয়নি। কিন্তু ঈদের বাকি আর মাত্র কয়েক দিন। এখন ১০ টাকা ও ২০ টাকার চাহিদা বেশি। সবাই এ দুই ধরনের নোট কিনছেন। পাশাপাশি নতুন ৫০ টাকাও কেউ কেউ নিচ্ছেন।

এ ছাড়া নতুন নোট সংগ্রহের বিষয়ে দোকানিরা জানান, ব্যাংকে তাদের ঢুকতে দেয় না। এ জন্য সরাসরি ব্যাংক থেকে নতুন টাকা তারা নিতে পারেন না। আগে থেকেই যোগাযোগ থাকে ব্যাংকে। কিন্তু অনেক হাত ঘুরে টাকা তাদের হতে আসে। এ জন্য দাম বেশি পড়ে যায়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
স্বপ্নপূরণের ক্ষণগণনা
অপেক্ষা উদ্বোধনের
দিন
ঘন্টা
মিনিট
সেকেন্ড
© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Theme Customized By BreakingNews