1. admin@thedailypadma.com : admin :
শতাধিক বিলাসবহুল ও বিদেশি পণ্যের ওপর নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক ৫ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত আরোপ - দ্য ডেইলি পদ্মা
রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫, ০৮:১৭ অপরাহ্ন

শতাধিক বিলাসবহুল ও বিদেশি পণ্যের ওপর নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক ৫ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত আরোপ

  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৪ মে, ২০২২
  • ২০০ Time View
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের চাপ ও আমদানি প্রবণতা কমাতে শতাধিক বিলাসবহুল ও বিদেশি পণ্যের ওপর নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক (আরডি) ৫ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত আরোপ করা হয়েছে।
সোমবার (২৩মে) এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা রহমাতুল মুনিম সই করা প্রজ্ঞাপন থেকে তথ্য জানা গেছে।
এনবিআরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সৈয়দ এ মুমেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এ বিষয়ে সৈয়দ এ মুমেন গণমাধ্যমকে  বলেন, কোভিড-১৯ পরবর্তী অর্থনীতি পুনর্গঠন, বিলাসবহুল পণ্যের ওপর নির্ভরশীলতা ও আমদানি হ্রাসকরণ এবং বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের লক্ষ্যে বিদেশি ফল, ফুল, ফার্নিচার ও কসমেটিকস জাতীয় প্রায় ১৩৫ টি এইচ এস কোড ভুক্ত পণ্যের ওপর আমদানি পর্যায়ে বিদ্যমান ০শতাংশ ও ৩ শতাংশের পরিবর্তে ২০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক  আরোপ করা হয়েছে।  যা গত ২৩ মে কার্যকর হয়েছে।
এদিকে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি, ভোগ্যপণ্য, মূলধনি যন্ত্র ও কাঁচামাল ও জাহাজ ভাড়া বেড়েছে। এ কারণে চলতি অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে (জুলাই-মার্চ) আমদানি খরচ বেড়েছে প্রায় ৪৪ শতাংশ। আমদানি খরচ যে হারে বেড়েছে, রপ্তানি সে হারে বাড়েনি। প্রবাসী আয় কমছে। আয় দিয়ে ব্যয় মিটছে না। প্রতি মাসে ঘাটতি হচ্ছে ১০০ কোটি বা ১ বিলিয়ন ডলার। এর সঙ্গে আছে বিদেশি ঋণের কিস্তি পরিশোধ। এসব সংকটে বাড়ছে ডলারের দাম, আর চাহিদা মেটাতে গিয়ে কমছে রিজার্ভ। এমন অবস্থা সামাল দিতে এই পদক্ষেপ নিল সরকার।
পণ্যগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে আমদানি করা বিস্কুট, চকলেট, বিভিন্ন জাতের ফল, জুস ও বিদেশি তৈরি পোশাক, ফার্নিচারের কাঁচামাল ইত্যাদি।
জানা গেছে, এইসব পণ্যের আমদানি নিরুৎসাহিত করতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। বাড়তি শুল্কহার কার্যকর হলে দেশীয় বাজারে পণ্যগুলোর দাম বেড়ে যাবে।
যেসব পণ্য আমদানিতে খরচ বাড়বে: শুকনা ও তাজা কিংবা হিমায়িত আপেল, নাসপাতি, আঙুর, কলা, আনারস, পেয়ারা, আম, তরমুজ, পেঁপে, বাদাম, কমলালেবু ও লেবুজাতীয় ফল, আলুবোখারা ইত্যাদি। এছাড়া প্রসাধন সামগ্রীর মধ্যে আছে সুগন্ধি (পারফিউম), সৌন্দর্য বর্ধনের নানা উপাদান (যেমন সানস্ক্রিন, সান টান ইত্যাদি), হাত-পায়ের নখ কাটার প্রসাধনী, চুলের যত্ন নেওয়ার প্রসাধনী, দাঁতের যত্ন নেওয়ার পেস্ট ও পাউডার এবং সেভ করার প্রসাধনী। অপরদিকে বেড রুম, রান্নাঘর ও অফিসের জন্য লোহা, কাঠ বা প্লাস্টিকের যেকোনও ধরনের আসবাব আমদানিতেও এখন থেকে বাড়তি নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক দিতে হবে। এছাড়া যেকোনও তাজা ফুল ও ফুলের গাছ আমদানিতেও নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক বাড়তি নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক বসলো।
এনবিআর বলছে, বর্তমানে দেশে উৎপাদিত আসবাব ও প্রসাধনসামগ্রী যথেষ্ট মানসম্মত এবং দেশের প্রয়োজনীয় চাহিদা মেটাতে সক্ষম। বাংলাদেশ এখন ফল ও ফুল চাষেও যথেষ্ট সমৃদ্ধিশালী। এসব পণ্যে নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক বসানোর ফলে বিদেশি পণ্যের সঙ্গে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে দেশি শিল্পের বিকাশ ঘটবে।

এনবিআর বলেছে, সাময়িকভাবে এ শুল্ক বাড়ানো হচ্ছে। এটি আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
স্বপ্নপূরণের ক্ষণগণনা
অপেক্ষা উদ্বোধনের
দিন
ঘন্টা
মিনিট
সেকেন্ড
© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Theme Customized By BreakingNews