ভারতের মেঘালয়-আসাম থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারী বৃষ্টিপাতে সিলেটে বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। এ অবস্থায় বানভাসি মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
স্থানীয়রা বলছে, কিছুদিন আগের বন্যা ২০০৪ সালের সালের বন্যাকে অতিক্রম করেছে। আর এবারের বন্যা ১৯৮৮ সালের বন্যাকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে। পূর্ব থেকেই প্লাবিত হওয়া এলাকায় পানি আরো বাড়ছে। বন্যায় পুরো সিলেটের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
গত বন্যায় দক্ষিণ সুরমা, উপশহরসহ কয়েকটি এলাকার বিদ্যুতের সাব স্টেশন পানিতে তলিতে যাওয়ায় বন্ধ করা হয়েছিল বিদ্যুৎ সরবরাহ। কিন্তু এবারের বন্যায় পুরো সিলেটের বিদ্যুৎ সরবরাহকারী কুমারগাঁও ১৩২-৩৩ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্র বন্ধের উপক্রম হয়েছে।
জানা গেছে, পুরো সিলেটের বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয় কুমারগাঁও ১৩২-৩৩ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্র থেকে। এই গ্রিড উপকেন্দ্রের সুইচ ইয়ার্ডে (কন্ট্রোল রুমের বাইরের অংশ) বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। এখন যদি কন্ট্রোল রুমের ভেতরে পানি প্রবেশ করে তাহলে এই উপকেন্দ্র বন্ধ রাখতে হবে। যার ফলে বন্ধ হয়ে যাবে পুরো সিলেটর বিদ্যুৎ ব্যবস্থা।
এ প্রসঙ্গে কুমারগাঁও ১৩২-৩৩ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্রের এক্সেন প্রকৌশলী সুরঞ্জিত সিং বলেন, ইতোমধ্যেই উপকেন্দ্রের সুইচ ইয়ার্ডে পানি প্রবেশ করেছে। যে হারে বৃষ্টি হচ্ছে এটা চলমান থাকলে কন্ট্রোল রুমে পানি প্রবেশ করতে বেশি সময় লাগবে না। যদি কন্ট্রোল রুমে পানি প্রবেশ করে তাহলে এই গ্রিড উপকেন্দ্র বন্ধ করে দিতে হবে। এতে করে পুরো সিলেট বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়বে।
Leave a Reply