ব্রিটেনের বাথ ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা মনে করেন, চুম্বনের ফলে শরীরে অ্যান্ডরফিন হরমোন বেড়ে যায়, যা মাসিকের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া, চুম্বনের একাধিক স্বাস্থ্য উপকারিতা আছে। এসব নিচে উপস্থাপিত হলো-
১. ব্রিটেনের ‘নিউরোসায়েন্স অ্যান্ড কগনিটিভ সায়েন্স’-এর বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন, চুম্বন করলে মস্তিষ্কে অ্যান্ডরফিন হরমোনের ক্ষরণ হতে থাকে, যা শরীরের ব্যথা-বেদনা কমাতে সাহায্য করে। চুম্বন করলে মাইগ্রেনের মতো মারাত্মক যন্ত্রণাও সহজেই কমে যেতে পারে।
২. চুম্বনের সময় মানব মস্তিষ্কে ডোপামিন ও সেরোটোনিন হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়। ফলে অবসাদ ও দুশ্চিন্তার হাত থেকে সুরক্ষা পাওয়া যায়।
৪. বিশেষজ্ঞদের মতে, চুম্বনের সময় আইজিই অ্যান্টিবডি কমে যায়। শুধু তাই নয়, হিস্টারিন হরমোনের ক্ষরণও কমে যায়। ফলে অ্যালার্জির প্রকোপ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
৫. চুম্বনের সময় মুখের ৩৪টি পেশি ও ১১২টি পস্ট্রুয়াল পেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে। এ কারণে ফেসিয়াল পালসি, মাসকুলার ডিস্টোনিয়ার মতো সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই কমে।
৬. মুখ গহ্বরের স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও চুম্বন উপকারী। কারণ চুম্বনের সময় মুখের ভেতর প্রচুর পরিমাণে লালা নিঃসরণ হয়। একই সঙ্গে মুখের ভেতরে নানা ধরনের উৎসেচক ক্ষরিত হয়।
৭. চুম্বনের ফলে শক্তিশালী হয় ফুসফুস। নিয়মিত চুম্বনে ফুসফুস সংক্রান্ত বিভিন্ন রোগ থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়।
চুমু হচ্ছে ভালোবাসার অন্যতম বহিঃপ্রকাশ। তাই প্রেমিক-প্রেমিকারা চুমু খেয়ে থাকেন। এবার জেনে নিন কোন স্থানে চুমুর কী মানে।
পেটে চুম্বন : হাসি তামাশার ছলে পেটে চুমু খাওয়া হয়।
পায়ে চুম্বন : এই চুমুর মানে হচ্ছে-প্রেমের অবকাশে ভালোবাসার আলতো স্পর্শ।
ঠোঁটে চুম্বন : ‘আমি তোমাকে ভালোবাসি, তোমাকে চাই উন্মত্তের মত’-এই চুমুর মানে।
কাঁধে চুম্বন : এই চুমুর মানে ‘আমি তোমাকে চাই’।
গলায় চুম্বন : এতে বোঝা যাবে প্রেমিক প্রেমিকা একে অপরের অন্তঃপ্রাণ।
গালে চুম্বন : চিরকালীন বন্ধুত্ব-এই চুমুর মানে।
হাতে চুম্বন : ‘ভালোবাসার পুজারি’-এই চুমুর মানে।
কানে চুম্বন : রোমান্টিকতার চূড়ান্ত পর্যায়।
কপালে চুম্বন : এই চুমুর মানে ‘তুমি সারা জীবনের জন্য আমার’।
চুম্বন বিজ্ঞানে বলা হয়েছে, কাউকে চুম্বন করার ধরন দেখে, তাঁদের সম্পর্কে জানা যায়।
*. পাশ্চাত্যে প্রচলিত চুম্বনশাস্ত্র মতে, যে ব্যক্তি ঠোঁট গোল করে নিজের সঙ্গীকে চুম্বন করেন, তাঁরা সাধারণত কোনো বিষয়কেই গম্ভীর ভাবে নেন না। এমন ব্যক্তি সেক্সের জন্য ব্যাকুল থাকেন। এই স্বভাবের জন্য তাঁদের সঙ্গী ক্ষুব্ধ থাকেন এবং দাম্পত্য জীবনে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।
*. বলা হয়, ভালোবাসা ব্যক্ত করা যায় না, অনুভব করতে হয়। কিন্তু অনেকে খোলা নয়, বরং বন্ধ চোখে ভালোবাসা অনুভব করতে চান। চুম্বনের সময় যাঁরা নিজের চোখ বন্ধ করে নেন, তাঁরা এই তত্ত্বে বিশ্বাসী, তাঁরা ভালোবাসা অনুভব করতে অনেক গভীরে যান। চুম্বনের সময় কেউ চোখ বন্ধ করে নিলে, জানবেন, তিনি খুব রোম্যান্টিক স্বভাবের। এমন ব্যক্তির বৈবাহিক জীবন সাধারণত সুখময় হয়।
*. অনেকে চুম্বনের সময় নিজের সঙ্গীকে আঁকড়ে ধরেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন করে তাঁরা সঙ্গী/সঙ্গিনীর ওপর নিজের অধিকার প্রমাণের চেষ্টা করেন। দাম্পত্য জীবনে এমন ব্যক্তি সঙ্গী/সঙ্গিনীকে নিজের সম্পত্তি মনে করেন। এ কারণে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই বিবাদ লেগে থাকে।
*. চুম্বন শাস্ত্রে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি কিস করার সময়ে তাড়াহুড়ো করেন না এবং কোমল স্পর্শের সঙ্গে কিস করেন, তাঁদের বৈবাহিক জীবন খুব সুখে কাটে। এমন ব্যক্তি চুম্বনকে ভালোবাসা মনে করেন এবং দীর্ঘ সময় পর্যন্ত তা মনে রাখেন। যে ব্যক্তি সময়-সুযোগ পেলেই নিজের সঙ্গীকে কিস করেন, তাঁদের দাম্পত্য জীবনে ভালোবাসার আধিক্য থাকে। এইসময়
Leave a Reply