1. admin@thedailypadma.com : admin :
আহলান সাহলান, মাহে রামাদান; রহমতের প্রথম দিন আজ - দ্য ডেইলি পদ্মা
সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ০১:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
হামে শিশু মৃত্যু: ড. ইউনূস-নুরজাহান বেগমসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন ইরান থেকে নতুন করে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের ভূখণ্ডের দিকে শনাক্ত: : আইডিএফ রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচার ও তদন্ত সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানালেন প্রধানমন্ত্রী বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম একলাফে ব্যারেলপ্রতি তিন ডলারেরও বেশি বেড়ে গেছে তেহরানের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সব ধরনের ফ্লাইট স্থগিত করেছে ইরান জেরুজালেমসহ বিস্তীর্ণ এলাকায় অনবরত বাজছে যুদ্ধকালীন সতর্কতা সাইরেন, আকাশসীমা বন্ধ তেহরানসহ দেশের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ শহরে তীব্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল, যুদ্ধ ফের তীব্র হওয়ার শঙ্কা ভুটানে আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল বাংলাদেশসহ এশিয়ার পাঁচটি দেশ ফিলিপাইনের ভূমিকম্পের জেরে প্রতিবেশী দেশ ইন্দোনেশিয়ার উপকূলে সুনামি ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূলে আঘাত হেনেছে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প

আহলান সাহলান, মাহে রামাদান; রহমতের প্রথম দিন আজ

  • Update Time : শুক্রবার, ২৪ মার্চ, ২০২৩
  • ১৯৫ Time View

আহলান সাহলান, মাহে রামাদান। মুসলিম উম্মাহর জন্য বছর ঘুরে আবার এসেছে পবিত্র রমজানুল মোবারক। রমজানের চাঁদ দেখা গেছে। আজ শুক্রবার প্রথম রোজা। রহমতের প্রথম দিন আজ। মহান আল্লাহ কর্তৃক এ মাসে প্রথম দিন থেকে শেষ দিন অবধি সুবহে সাদিক হতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত যাবতীয় আহার-পাপাচার থেকে বিরত থেকে মহান আল্লাহরই সন্তুষ্টি কামনায় রোজা পালনের বিধান বর্ণিত হয়েছে।

যেমন ইরশাদ হচ্ছে, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমনি (তোমাদের) পূর্ববর্তীদের ওপর ফরজ করা হয়েছিল; যাতে তোমাদের পর হেজগারি অর্জিত হয়।’

উল্লেখ্য, ইসলামের বিধানে সর্বপ্রথম শুধুমাত্র আশুরার রোজা ফরজ ছিল। অর্থাৎ বছরে একটি। তারপর প্রতি মাসে তিনটি রোজা ফরজ হলো। প্রতি চন্দ্র মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ। অতঃপর বর্ণিত আয়াতে কারিমা দ্বারা রমজান মাসের রোজা ফরজ করা হয়েছে। আর এই রোজাগুলোর ফরজ হয়ে গেছে। রোজা দ্বিতীয় হিজরির ১০ শাবানুল মোবারক ফরজ করা হয়েছে।

পবিত্র রমজানের প্রতিটি মুহূর্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং তাৎপর্যমণ্ডিত। বিশেষত, এ মাসেই অবতীর্ণ করা হয় পবিত্র কোরআনুল কারিম। কোরআনুল কারিম এবং হাদিসের বিভিন্ন বর্ণনায় এ মাসের ব্যাপক মযার্দা বর্ণনা করা হয়েছে।

যেমন, হজরত সায়্যিদেনা জাবির ইবনে আবদুল্লাহ(রা.) থেকে বর্ণিত রহমতে আলামিয়ান হাবিবে রহমান হজরত মুহাম্মদ (সা.)- এর মর্যাদাপূর্ণ বাণী হচ্ছে ‘আমার উম্মতকে রমজান মাসের পাঁচটি এমন জিনিস দান করা হয়েছে, যেগুলো আমার পূর্বে অন্য কোনো নবী পাননি’—

১. যখন রমজানুল মোবারকের প্রথম রাত আসে, তখন আল্লাহতায়ালা তাদের প্রতি রহমতের দৃষ্টি দেন। আর যার প্রতি আল্লাহ রহমতের দৃষ্টি দেন, তাকে কখনো আজাব দেবেন না।

২. সন্ধ্যায় তাদের মুখের দুর্গন্ধ (যা ক্ষুধার কারণে সৃষ্টি হয়) আল্লাহতায়ালার নিকট মেশকের চেয়েও বেশি সুগন্ধি হয়।

৩. ফেরেশতারা প্রত্যেক দিনে ও রাতে তার জন্য মাগফিরাতের দোয়া করতে থাকেন।

৪. আল্লাহতায়ালা জান্নাতকে নির্দেশ দিয়ে ইরশাদ ফরমান, ‘আমার নেক বান্দাদের জন্য সুসজ্জিত হয়ে যাও। শিগগিরই তারা দুনিয়ার কষ্টের বিনিময়ে আমার ঘর ও দয়ার মধ্যে শান্তি পাবে।’

৫. যখন রমজান মাসের সর্বশেষ রাত আসে, তখন আল্লাহতায়ালা সবাইকে ক্ষমা করে দেন।

উপস্থিতদের মধ্যে একজন দাঁড়িয়ে আরজ করলেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল এটা কি ‘লাইলাতুলকদর?’ ইরশাদ ফরমালেন, ‘না’। তোমরা কি দেখনি যে, শ্রমিকরা যখন নিজের কাজ সম্পন্ন করে নেয়, তখন তাদের পারিশ্রমিক দেয়া হয়? (আত্তারগির ওয়াত্তারহিব, খণ্ড-দ্বিতীয়, পৃষ্ঠা-৫৬, হাদিস-৭)।

আলোচ্য হাদিসটি দ্বারা প্রতিয়মান হয় যে, রোজাদার ব্যক্তির ওপর মহান আল্লাহর রয়েছে অগণিত দয়া। ক্ষমাপ্রাপ্তি অপূর্ব এ সময়ের সঠিক ব্যবহার করা আমাদের প্রত্যেক মুসলমান নর-নরীর উচিত। প্রতিটি মুহূর্তে এমনভাবে আল্লাহর ইবাদত করা আবশ্যক, যেন বান্দার প্রতি আল্লাহ এবং তার রাসুল (সা.)-এর সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়।

আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এ মাস আসার সঙ্গে সঙ্গেই আল্লাহর ইবাদতে বেশি মাত্রায় মগ্ন হয়ে যেতেন। যেমনিভাবে উম্মুল মুমিনীন সায়্যিদাতুনা আয়িশা সিদ্দীকা (রা.) বর্ণনা করেন ‘যখন রমজান আসত, তখনই আমার মাথার মুকুট, মিরাজের দুলহা হজরত মুহাম্মদ (সা.) মহামহিম আল্লাহর ইবাদতের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত ও তৎপর হয়ে যেতেন। আর গোটা মাসেই নিজের বিছানা মোবারকের ওপর তাশরিফ আনতেন না।’(দুরদে মানসুর, খণ্ড-প্রথম, পৃষ্ঠ-৪৪৯)।

বিখ্যাত তাফসির গ্রন্থ ‘তফসিরে নঈমীর দ্বিতীয় খণ্ডে পবিত্র এ মাসের অনেক গুরুত্ব বর্ণনা করা হয়েছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো—

১. কাবা শরিফ মুসলামানদের তার কাছ ডেকে রহমত প্রদান করে, কিন্তু এটা (মাহে রমজান) এসে রহমত বণ্টন করে। এ বিষয়টা এমন যেন সেটা (কাবা) একটা কূপ, আর এটা (রমজান শরিফ) হচ্ছে সমুদ্র। অথবা ওটা (অর্থাৎ কাবা) হচ্ছে সমুদ্র আর এটা (অর্থাৎ রমজান) হচ্ছে বৃষ্টি।

২. প্রতিটি মাসে বিশেষ বিশেষ কিছু দিন-তারিখ রয়েছে। আর তারিখগুলোর মধ্যেও বিশেষ মুহূর্তে ইবাদত-বন্দেগি সম্পন্ন করা হয়। যেমন- ঈদুল আজহার কয়েকটা (বিশেষ) তারিখ হজ, মহরমের দশম দিন উত্তম, কিন্তু রমজান মাসে প্রতিদিনে ও প্রতিটি মুহূর্তে ইবাদত হয়। রোজা ইবাদত, ইফতার ইবাদত, ইফতারের পর তারাবির জন্য অপেক্ষা করা ইবাদত, তারাবি পড়ে সেহরির জন্য অপেক্ষা করতে গিয়ে ঘুমানো ইবাদত এবং সেহরি খাওয়াও ইবাদত। মোট কথা, প্রতিটি মুহূর্তে আল্লাহতায়ালার শান ও মহা বদান্যতাই নজরে পড়ে।

৩. ‘রমজান’হচ্ছেএকটা‘ভাট্টি’।ভাট্টিহলোঅপরিষ্কারলোহাকেপরিষ্কারএবংপরিষ্কারলোহাকেমেশিনেরযন্ত্রাংশেপরিণতকরেদামিকরেদেয়, আর স্বর্ণকে অলংকারে পরিণত করে ব্যবহারের উপযুক্ত করে দেয়, তেমনিভাবে রমজান মাস গুনাহগারদের পবিত্র করে এবং নেককার লোকদের মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেয়।

৪. রমজানে নফলের সওয়াব ফরজের সমান এবং ফরজের সওয়াব সত্তর গুণ বেশি পাওয়া যায়।

৫. কিছুসংখ্যক আলিম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি রমজানে মৃত্যুবরণ করে, তাকে কবরে প্রশ্ন করা হয় না।’

৬. এমাসেশবেকদররয়েছে।কোরআনরমজানমাসেঅবতীর্ণহয়েছে। অন্যত্র ইরশাদ হচ্ছে, ‘নিশ্চয় আমি সেটাকে কদর রাত্রিতে অবতরণ করেছি’(পারা-৩০, সুরা-কদর, আয়াত-১)।

৭. রমজান মাসে শয়তানকে বন্দি করা হয়, দোজখের দরজা বন্ধ করে দেয়া হয়, জান্নাতকে সুসজ্জিত করা হয় এবংদরজাগুলো খুলে দেয়া হয়।এ কারণে এসব দিন সৎকর্ম অধিকও গুনাহ কমে যায়।যেসব লোক গুনাহ করেও নেয়, তারা ‘নফসে আম্মারা কিংবা নিজেদের সাথি শয়তান’(সঙ্গে অবস্থানকারী শয়তান) পথভ্রষ্ট করার কারণে করে থাকে।

৮. রমজানে পানাহারের হিসাব হয় না।

৯. কিয়ামতে রমজান ও কোরআন রোজাদারের জন্য সুপারিশ করবে। রমজান বলবে, ‘ওহে আমার মালিক! আমি তাকে দিনের বেলায় পানাহার থেকে বিরত রেখেছিলাম।’আর কোরআন আরজ করবে, ‘ওহে মহান রব! আমি তাকে তেলাওয়াত ও তারাবির মধ্যে ঘুমাতে দিইনি।

১০. হুজুর পুরনুর শফিয়ে ইয়াউমুন নুশুর, হজরত মুহাম্মদ (সা.) রমজানুল মোবারকে প্রত্যেক কয়েদিকে মুক্ত করে দিতেন এবং প্রত্যেক ভিখারিকে দান করতেন। মহামহিম প্রতিপালকও রমজান মাসে দোজখিদের মুক্তি দেন। সুতরাং, রমজানে নেক কাজ করা এবং পাপ কাজ থেকে বিরত থাকা প্রত্যেক মুসলমান নর-নরীর উচিত।

১১. পবিত্র কোরআনে শুধু ‘রমজান’ শরিফের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবংসেটার ফজিলত সমূহই বর্ণিত হয়েছে।অন্য কোনো মাসের নামও ফজিলত সুস্পষ্টভাবে নেই। মাসগুলোর মধ্যে কোরআন শরিফে শুধু রমজান মাসের নাম নেয়া হয়েছে, নারীদের মধ্যে শুধু বিবি মরিয়মের নাম এসেছে, সাহাবায়ে কেরামের মধ্যে হজরত সায়্যিদুনা জায়েদ ইবনে হারিসা এর নাম নেয়া হয়েছে, যার কারণে এই তিনজনের মাহাত্ম জানা গেল।

১২. রমজান শরিফে ইফতার ও সেহরির সময় দোয়া কবুল হয়। এ মর্যাদা অন্য কোনো মাসে নেই।

মাহে রমজানের অন্যতম বিধান সিয়াম সাধনা। এর জন্যও নিয়ত জরুরি। কিন্তু সেই নিয়ত কখন, কীভাবে করতে হয়। চলুন জেনে নিই সে সম্পর্কে-

রোজার নিয়ত করা ফরজ। নিয়ত অর্থ সংকল্প। যেমন-মনে মনে এ সংকল্প করবে, আমি আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে আগামীকালের রোজা রাখছি। মুখে বলা জরুরি নয়। (সহিহ বোখারি : ১/২, বাদায়েউস সানায়ে : ২/২২৬)।

রোজার নিয়ত কখন করতে হয়: ফরজ রোজার নিয়ত রাতেই করা উত্তম। (সুনানে আবি দাউদ : ১/৩৩৩, বাদায়েউস সানায়ে : ২/২২৯)।

তবে রাতে নিয়ত করতে না পারলে: রাতে নিয়ত করতে না পারলে দিনে সূর্য ঢলার প্রায় এক ঘণ্টা আগে নিয়ত করলেও রোজা হয়ে যাবে। (সহিহ বোখারি : ২০০৭, বাদায়েউস সানায়ে : ২/২২৯)।

সেহরি খাওয়ার দ্বারাই নিয়ত হয়ে যায়?

হ্যাঁ, রোজার জন্য সেহরি খেলেও রোজার নিয়ত হয়ে যায়। আল বাহরুর রায়েক-২/২৫৯; ফাতাওয়া হিন্দিয়া- ১/১৯৫

রোজা কার ওপর ফরজ?

প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ মস্তিস্কের অধিকারী মুসলমান নারী-পুরুষের ওপর রমজানের রোজা রাখা ফরজ, যখন সে সুস্থ ও মুকিম অবস্থায় থাকবে। সুতরাং নাবালেগ, পাগল ও কাফেরের ওপর রোজা ফরজ নয়। আর অসুস্থ কিংবা মুসাফিরের ওপর রমজানের রোজা ফরজ বটে; তবে তা ওই অবস্থায় আদায় করা ওয়াজিব নয়। (ফাতাওয়া আলমগিরি-১/১৯৫)

রোজা সহিহ হওয়ার শর্ত

রোজা সহিহ হওয়ার শর্ত দুটি। ১. রোজার নিয়ত করা। সুতরাং কেউ নিয়ত না করে সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার এবং স্ত্রী মিলন থেকে বিরত থাকলেও শরীয়তের দৃষ্টিতে তা রোজা হিসেবে গণ্য হবে না।

২. নারী হায়েজ ও নেফাস থেকে পবিত্র হওয়া। অতএব মাসিক পিরিয়ড বা নেফাস চলাকালীন কোনো মহিলা রোজা রাখলে তার রোজা শুদ্ধ হবে না। (ফাতাওয়া আলমগিরি-১/১৯৫)

রোজার নিয়ত কীভাবে করব?

নিয়ত একটি আরবি শব্দ। এর শাব্দিক অর্থ হলো মনে মনে ইচ্ছা করা। অতএব কেউ যদি সূর্যাস্তের পরবর্তী কোনো একসময়ে মনে মনে এই ইচ্ছা করে যে, আমি আগামীকাল রমজানের রোজা রাখব, তা হলে তার নিয়ত সংঘটিত হয়ে যাবে। নিয়ত সহিহ হওয়ার জন্য মুখে উচ্চারণ করা শর্ত নয়। তবে তা উত্তম। (ফাতাওয়া আলমগিরি-১/১৯৫)

রোজার নিয়ত কখন করব?

সূর্যাস্তের পর থেকে পূর্ব অর্থাৎ সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্তের মধ্যবর্তী সময়ের আগ পর্যন্ত রমজানের রোজার নিয়ত করার অবকাশ আছে। তবে সুবহে সাদিকের আগেই নিয়ত করে নেয়া উত্তম। (বাদায়েউস সানায়ে- ২/২২৯; আল বাহরুর রায়েক-২/২৫৯)

(তাফসিরে নঈমী, খণ্ড-দ্বিতীয়, পৃষ্ঠা-২০৮)। মহান আল্লাহ সকলকে রমজানের তাৎপর্য অনুধাবন করে সঠিক আমল করার তৌফিক দিন। আমিন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
স্বপ্নপূরণের ক্ষণগণনা
অপেক্ষা উদ্বোধনের
দিন
ঘন্টা
মিনিট
সেকেন্ড
© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Theme Customized By BreakingNews