1. admin@thedailypadma.com : admin :
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কথা শুনতে আট জেলার ৫৮টি উপজেলার মানুষের স্রোত এসে নামে রংপুরে - দ্য ডেইলি পদ্মা
শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫, ০৪:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতোংতার্ন সিনাওয়াত্রাকে ক্ষমতাচ্যুত করেছে দেশটির সাংবিধানিক আদালত দেশে মধ্যপন্থা ও উদার পন্থার রাজনীতি ও গণতন্ত্রকে সরিয়ে উগ্রবাদের রাজনীতি ফিরিয়ে আনার ষড়যন্ত্র চলছে নিত্যপণ্যের পাশাপাশি সবজির বাজারও চড়া থাকায় হিমশিম খেতে হচ্ছে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত আবারও যুদ্ধ শুরু হওয়ার আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন ইরানের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে এক নজরে বিশ্ব সংবাদ: ২৮ আগস্ট ২০২৫ দেখালেন জাদু; জোড়া গোল করলেন, দলকে পৌঁছে দিলেন লিগস কাপের ফাইনালে আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি ২৮ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের একটি ক্যাথলিক স্কুলে হামলা চালিয়েছে এক বন্দুকধারী; নিহত ৩

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কথা শুনতে আট জেলার ৫৮টি উপজেলার মানুষের স্রোত এসে নামে রংপুরে

  • Update Time : বুধবার, ২ আগস্ট, ২০২৩
  • ১২৮ Time View
এক সময়ের মঙ্গাখ্যাত দেশের উত্তরের রংপুর বিভাগ এখন দেশের উন্নত বিভাগ। আর এই উন্নয়নের কারিগর বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর এই বঙ্গবন্ধু কন্যার রংপুরের মহাসমাবেশে অংশ নিতে এবং তার কথা শুনতে আট জেলার ৫৮টি উপজেলার মানুষের স্রোত এসে নামে রংপুরে। যারা সকাল ৯-১০টার মধ্যে আসেন, তারা জায়গা পান রংপুর জিলা স্কুল মাঠে। এরপর মানুষের অবস্থান রংপুর শহরের চারদিকে ছাড়াতে থাকে। দুপুর ১টার সময় শেখ হাসিনা যখন ঢাকা থেকে রংপুরের উদ্দেশে রওয়ানা হন, তখন মানুষের ঢল চলে স্কুল মাঠ থেকে ১০ কিলোমিটারজুড়ে। এই ১০ কিলোমিটার পরিণত হয় জনসমুদ্রে।
আওয়ামী লীগের উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মহাসমাবেশ আজ বুধবার দুপুর ১২টা ১২ মিনিটে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়। এরপর পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, গীতা ও ত্রিপিটক পাঠ করার মধ্য দিয়ে মহাসমাবেশের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করা হয়। বেলা ৩টায় আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা সমাবেশস্থলে আসেন। রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ডা. দেলোয়ার হোসেন সভাপতিত্ব করেন। মহাসমাবেশে রংপুর জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন জেলার নেতারা বক্তব্য রাখেন।
এদিকে, সকাল থেকে রংপুর নগরীসহ বিভাগের আট জেলা ও ৫৮টি উপজেলার গ্রাম পর্যায় থেকে নেতাকর্মীরা আসতে থাকেন। দুপুর ১টার আগেই সভাস্থল জিলা স্কুল মাঠ ছাড়িয়ে নগরীর ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে জনসমুদ্রে রূপ নিয়েছে। মুহুর্মুহু স্লোগানে উত্তাল হয়ে উঠে পুরো রংপুর। মহাসমাবেশে ১০ লাখেরও বেশি মানুষের সমাগম হয়।

সকাল থেকেই শহরের তিনটি প্রবেশপথ দিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ভোর থেকেই ছোট-বড় মিছিল নিয়ে জনসভাস্থলে আসতে শুরু করেন। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বাসে-ট্রাকে এবং হেঁটে মহাসমাবেশস্থলে আসেন। এছাড়া আটটি ট্রেন ভাড়া করে রাজশাহী, জয়পুরহাট, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, নাটোর, পাবনা ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে নেতাকর্মীদের আসার ব্যবস্থা করা হয়।
গতকাল মঙ্গলবার রাত থেকেই রংপুর মহানগরীতে গণমানুষের ঢল নামতে শুরু করে। ‘শেখ হাসিনার আগমন শুভেচ্ছা-স্বাগতম’ স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে। সকাল ৮টা থেকে সমাবেশস্থল রংপুর জিলা স্কুল মাঠে দূর-দূরান্ত থেকে রঙিন টি-শার্ট ও ক্যাপ পরিহিত নেতাকর্মীরা ঢাকঢোল পিটিয়ে আসতে শুরু করেন।

প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে শতাধিক তোরণ, ব্যানার, ফেস্টুন, প্ল্যাকার্ড ও পোস্টারে সাজানো হয় পুরো রংপুর শহর। নৌকার আদলে প্রস্তুত করা হয় মঞ্চ। মাঠে প্রবেশের জন্য তিনটি গেটের ব্যবস্থা করা হয়। গেটগুলোতে বাঁশের ব্যারিকেড দেওয়া হয়। একটি গেট দিয়ে লাল ও হলুদ সবুজ কার্ডধারী প্রবেশ করতে পারেন। এছাড়া মঞ্চের সঙ্গেই অপর আরেকটি ভিআইপি গেট রাখা হয়। সেখান দিয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, কেন্দ্রীয় নেতা এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা প্রবেশ করেন।
সকাল থেকে ব্যানার-ফেস্টুন হাতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে আসেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষে ভরে যায় নগরের বিভিন্ন সড়ক, নগর পরিণত হয় উৎসবের নগরে। শেখ হাসিনার আগমন উপলক্ষে সকাল থেকে রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে দলের নেতাকর্মীরা নগরে আসতে শুরু করেন। স্লোগানে স্লোগানে মুখর রংপুর জেলা স্কুলের মাঠ। রঙিন টি-শার্ট পরে বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে তারা সেখানে বিভিন্ন স্লোগান  দেন।

প্রধানমন্ত্রীর জনসভাকে ঘিরে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয় রংপুর নগর। গুরুত্বপূর্ণ সড়কের মোড়ে মোড়ে নিরাপত্তাচৌকি বসানো হয়। এক হাজারের বেশি সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়। নগরীর ২১টি পয়েন্টে করা হয় গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা।
ঠাকুরগাঁও থেকে সমাবেশস্থলে আসেন আমিরুল ইসলাম (৫৬)। তিনি বলেন, আমি শেখ হাসিনাকে দেখতে এসেছি। আমার মতো অনেকেই এসেছেন। রংপুরের মিঠাপুকুরের সুরুজ মিয়া (৫০) বলেন, ‘যে ভিড় ভেতরোত যাওয়া যাওচে না। রাস্তাত গাড়ি আর গাড়ি। হাঁটা মুশকিল। হাসিনা হামার রংপুরোত আইসোচে তাতে খুশি। হাসিনা তানে হামরা আজি তিনবেলা ভালো করে ভাত খাচি। শেখের বেটি এইবারও প্রধানমন্ত্রী হবেই।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
স্বপ্নপূরণের ক্ষণগণনা
অপেক্ষা উদ্বোধনের
দিন
ঘন্টা
মিনিট
সেকেন্ড
© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Theme Customized By BreakingNews