1. admin@thedailypadma.com : admin :
পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে বাজারে গরু ও মুরগির মাংসের দামে কিছুটা চড়াভাব দেখা গেছে - দ্য ডেইলি পদ্মা
সোমবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০২:০৮ পূর্বাহ্ন

পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে বাজারে গরু ও মুরগির মাংসের দামে কিছুটা চড়াভাব দেখা গেছে

  • Update Time : শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৩৫ Time View
পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে বাজারে গরু ও মুরগির মাংসের চাহিদা বেড়েছে। এতে দামেও কিছুটা চড়াভাব দেখা গেছে। বাজারভেদে গরুর মাংস ও ব্রয়লার মুরগির কেজিপ্রতি দাম বেড়েছে কমপক্ষে ২০ টাকা। এদিকে মাসখানেক ধরে বাজারে চলছে বোতলজাত ভোজ্যতেলের ঘাটতি। সয়াবিন তেলের দাম বাড়ার পাশাপাশি বাজারে মিলছে না খোলা তেলও।

শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে। অন্যদিকে শবে বরাতের কারণে মুদি বাজারেও এখন ক্রেতার ভিড় বেশি। তবে সয়াবিন তেল ছাড়া অন্যান্য পণ্যের দাম স্থিতিশীল দেখা গেছে।
রামপুরা, মালিবাগ ও মগবাজার ঘুরে দেখা গেছে, স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে মাংসের দোকানে ক্রেতার ভিড় বেশি। অন্য সময় প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭৫০ টাকা দরে বিক্রি হতো। দরদাম করলে আরও ২০-৩০ টাকা কমেও কিনতে পারতেন ক্রেতারা। তবে অধিকাংশ দোকানে এখন দাম হাঁকা হচ্ছে ৮০০ টাকা। কিছু দোকানে একদাম আবার কোথাও ১০-২০ টাকা কমিয়ে বিক্রি হচ্ছে গরুর মাংস।

এদিকে শবে বরাত উপলক্ষে বিভিন্ন বাজারসহ পাড়া-মহল্লায় বেশ কিছু অস্থায়ী মাংসের দোকান দেখা গেছে। অনেক দোকানে আগের মতো ৭৫০ টাকা কেজিতেও মাংস বিক্রি হচ্ছে।

মালিবাগের খোরশেদ মাংস বিতানে বিক্রেতা এনামুল হক বলেন, চাহিদার কারণে দাম কিছুটা বাড়তি। সকাল সকাল দুইটা গরু জবাই দিয়েছি, বিক্রি শেষ। তবে আমরা আগের দামে মাংস বিক্রি করছি। কেউ হাড় কমিয়ে নিলে দাম একটু বেশি পড়ছে।

এদিকে গরুর মাংসের পাশাপাশি ক্রেতার ভিড় বেড়েছে মুরগির মাংসের দোকানেও। ফলে ক্রেতাদের প্রতি কেজি ব্রয়লারের দাম গুনতে হচ্ছে ২০০ থেকে ২২০ টাকা, যা আগে ছিল ১৯০-২০০ টাকা। এছাড়া সোনালি জাতের মুরগির দরও গত সপ্তাহের তুলনায় ২০ টাকা বেড়ে হয়েছে ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকা।

অন্যদিকে শবে বরাতে চিনি, তেল, দুধ ও মসলার মতো পণ্যের বিক্রিও বেড়েছে। তবে তেল ছাড়া অন্য পণ্যের দাম বাড়েনি।

এদিকে এখনো সংকট কাটে

নি ভোজ্যতেলের বাজারে। প্রায় মাসখানেক ধরে বাজারে বোতলজাত ভোজ্যতেলের সরবরাহে ঘাটতি চলছে। বোতল সংকটে খোলা সয়াবিন তেলের দর বেড়ে গেছে। এতে অনেকেই দোকানে খোলা তেল বিক্রি বন্ধ রেখেছেন।

বাজারে প্রতি লিটার সয়াবিন তেল কিনতে গুনতে হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত। যদিও তেলের বোতলের গায়ের দাম ১৭৫ টাকা।

অন্যদিকে, পেঁয়াজের বাজারে স্বস্তি থাকলেও রসুনের বাজার চড়া। প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকায়। দেশি নতুন রসুন ১৫০ থেকে ১৬০ এবং আমদানি করা রসুনের কেজি ২৫০ থেকে ২৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে এই দরের চেয়ে অন্তত ১০ টাকা কমে রসুন কেনা গেছে। একই সঙ্গে আদারও কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা দর বেড়ে ১৭০ থেকে ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে সবজির বাজার এখনো ক্রেতার নাগালে। যদিও কিছুটা বেড়েছে বেগুনের দাম। প্রতি কেজি লম্বা বেগুনের দর কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়। এছাড়া মুলা ও শালগমের কেজি ১৫ থেকে ২০, শিম ও গাজর ৩০ থেকে ৪০, ফুল ও বাঁধাকপির প্রতি পিস ২০ থেকে ২৫, লাউয়ের পিস ৪০ থেকে ৬০, টমেটো ২০ থেকে ২৫, শসা ৫০ থেকে ৬০ ও কাঁচা মরিচের কেজি ৪০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।অন্যদিকে, আসন্ন রমজান উপলক্ষে ডাল ও ছোলার দামে তেমন কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। প্রতি কেজি ভালো মানের মসুর ডাল ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা এবং ছোলা ১১০-১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
স্বপ্নপূরণের ক্ষণগণনা
অপেক্ষা উদ্বোধনের
দিন
ঘন্টা
মিনিট
সেকেন্ড
© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Theme Customized By BreakingNews