চলতি বছরের জানুয়ারিতে ‘গ্রেটার ইসরায়েল’-এর মানচিত্র প্রকাশ করে তেলআবিব। এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয় ফিলিস্তিন, জর্ডান, সিরিয়া এবং লেবাননের ভূখণ্ডকে। নেতানিয়াহু প্রশাসনের এমন পদক্ষেপে নিন্দার ঝড় ওঠে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে।
চলতি সপ্তাহে গণমাধ্যমকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দেয়া সাক্ষাৎকারের পর আবারও আলোচনায় বৃহত্তর ইসরায়েলি ভূখণ্ডের বিষয়টি।
আই-টুয়েন্টি ফোরে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ফিলিস্তিনের ভূখন্ডসহ জর্ডান, সিরিয়া, লেবানন এবং মিশরের কিছু অংশ নিয়ে গড়ে তুলতে চান গ্রেটার ইসরায়েল।
মূলত, গ্রেটার ইসরায়েল ধারণাটি আলোচিত হচ্ছে ১৯৬৭ সাল থেকেই। যেখানে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশগুলো নিয়ে বৃহত্তর ইসরায়েল গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে নীল নদ থেকে ফোরাত নদী পর্যন্ত বিস্তৃত অঞ্চল। তথাকথিত প্রতিশ্রুত ভূমি বা প্রমিজড ল্যান্ড বোঝাতে এই গ্রেটার ইসরায়েলের প্রসঙ্গ উল্লেখ করা হয়।
নীল নদ থেকে ফোরাত নদী, এই অঞ্চল ২ হাজার কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত। যাতে সংশ্লিষ্ঠ মিসর, জর্ডান, সিরিয়া এবং ইরাকের বিভিন্ন এলাকা। যার মধ্যে অন্যতম সিনাই এবং গোলান উপত্যকা। এই দেশগুলোর পাশাপাশি লেবানন এবং ফিলিস্তিনও রয়েছে।
উল্লেখ্য, জায়নবাদীদের পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রস্তাবকৃত এই ‘গ্রেটার ইসরায়েল’ হলো এই সাম্রাজ্য সৌদি আরব পর্যন্ত প্রসারিত করা ও সেই পরিকল্পনার বাস্তবায়ন ঘটানো।
Leave a Reply