চীনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় মরুভূমিতে বিশাল এক গোপন সামরিক অবকাঠামোর চিত্র উঠে এসেছে উপগ্রহচিত্রে। এতে দেখা গেছে, অষ্টভুজাকৃতির বিশাল একটি কমপ্লেক্সের ভেতরে শত শত বাঙ্কার, ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চপ্যাড ও অন্যান্য সামরিক স্থাপনা নির্মাণ চলছে।
সম্প্রতি মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০৩০ সালের মধ্যে চীন তাদের পরমাণু অস্ত্রভাণ্ডার প্রায় এক হাজারে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়েছে। ওই প্রতিবেদনের পরই নতুন এই উপগ্রহচিত্র প্রকাশ ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।
রয়টার্সের প্রকাশিত উপগ্রহচিত্রে দেখা যায়, শিনজিয়াং প্রদেশের মরুভূমির একটি বিস্তীর্ণ এলাকায় এই সামরিক স্থাপনা গড়ে তোলা হচ্ছে। এটি একটি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র কেন্দ্রের কাছাকাছি অবস্থান করছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
চিত্র বিশ্লেষণে দেখা গেছে, অষ্টভুজাকৃতির এই কাঠামোর চারপাশে অসংখ্য বাঙ্কার ও লঞ্চপ্যাড নির্মাণ করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, সম্ভাব্য যুদ্ধ পরিস্থিতিতে দ্রুত ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন ও উৎক্ষেপণের সক্ষমতা বাড়াতেই এই অবকাঠামো তৈরি করা হচ্ছে।
এ ছাড়া এলাকাটিতে নতুন সড়ক, রেললাইন এবং একটি বিমানঘাঁটির মতো অবকাঠামো গড়ে তোলার ইঙ্গিতও পাওয়া গেছে উপগ্রহচিত্রে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি চীনের পারমাণবিক ও কৌশলগত প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদারের বৃহৎ প্রকল্পের অংশ।
হাওয়াই প্যাসিফিক ফোরামের গবেষক আলেকজান্ডার নিলের বরাত দিয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সূত্র জানায়, কয়েক হাজার বর্গকিলোমিটারজুড়ে বিস্তৃত এই প্রকল্পকে কার্যত একটি ‘অস্ত্রভাণ্ডারের গোপন নগরী’ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ভূমি থেকে পারমাণবিক হামলার সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি ডুবোজাহাজ, যুদ্ধজাহাজ ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বয় বাড়াতেই চীন এই ধরনের অবকাঠামো তৈরি করছে।
বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, পূর্ব শিনজিয়াং অঞ্চলে গত প্রায় ছয় বছর ধরে একই ধরনের একাধিক অষ্টভুজাকার সামরিক কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হচ্ছে।
<p>সম্পাদক: মো:রোকন উদ্দিন রুমন </p><p>লেখক: আবদুল্লাহ যায়েদ তানজিন </p><p>উপদেষ্টা: মো: মোশাররফ হোসেন </p><p>thedailypadma@gmail.com<br></p><p> বার্তা কার্যালয়: দক্ষিন কমলাপুর,ফরিদপুর সদর, ফরিদপুর। </p><p>মোবাইল:০১৭১১১৪৮৯৫১, ০১৯১১৩০৩২২৯ ইমেইল: thepadma24@gmail.com<br></p>
© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।