তাদের মধ্যে ২৫৪ জন মারা গেছেন। অন্যদিকে ১০০ জন রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। বর্তমানে প্রাদুর্ভাব সবচেয়ে বেশি ছড়িয়েছে ইতুরি প্রদেশে। মোট আক্রান্তের ৯০ শতাংশের বেশি এই অঞ্চলেই পাওয়া গেছে। এই এলাকায় হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ দ্রুত বাড়ছে। অনেক চিকিৎসাকেন্দ্র ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি রোগী নিয়ে কাজ করছে। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ইতুরি অঞ্চলে সরকার বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা চালু করেছে। পাশাপাশি পরীক্ষাগারের সক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে এবং নতুন করে স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। তবে পরিস্থিতি এখনো জটিল। সংক্রমিত ব্যক্তিদের সংস্পর্শে আসা মানুষের মধ্যে নজরদারিতে রাখা সম্ভব হয়েছে মাত্র ৫৮ শতাংশকে। কয়েক দিন আগেও এই হার ৭০ শতাংশের বেশি ছিল। বিশেষজ্ঞদের মতে, সংঘাতপ্রবণ এলাকায় রোগীর গতিবিধি চিহ্নিত করা খুবই কঠিন হয়ে পড়ছে।বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থার আফ্রিকা অঞ্চলের জরুরি স্বাস্থ্য পরিস্থিতি মোকাবেলা এবং প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রমের প্রধান মারি রোজেলিন বেলিজেয়ার বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি এখনো পূর্ণ প্রস্তুতির পর্যায়ে পৌঁছায়নি। তিনি পরিস্থিতির অগ্রগতিকে ১০-এর মধ্যে তিন বা চার হিসেবে মূল্যায়ন করেছেন। তিনি আরো জানান, সামগ্রিকভাবে প্রাদুর্ভাব মোকাবেলা করার জন্য রোগী, তাদের পরিবার এবং নজরদারিতে থাকা ব্যক্তিদের জন্য মানসিক স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। সব বাধা সত্ত্বেও কর্মকর্তারা বলছেন, আগের তুলনায় এখন বেশি রোগী সুস্থ হয়ে ফিরছেন। একই সঙ্গে জনসচেতনতা কার্যক্রমও বাড়ানো হয়েছে।
জুন মাসে আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা ও আফ্রিকান দেশগুলোর পক্ষ থেকে প্রায় ৯১ কোটি মার্কিন ডলারের সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, এই প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে আসতে আরো কয়েক মাস সময় লাগতে পারে।
Leave a Reply