1. admin@thedailypadma.com : admin :
নিত্যপণ্যের বাজারে এখনও পুরোপুরি স্বস্তি ফেরেনি, কমেছে ডিম ও মরিচের - দ্য ডেইলি পদ্মা
শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:২৭ অপরাহ্ন

নিত্যপণ্যের বাজারে এখনও পুরোপুরি স্বস্তি ফেরেনি, কমেছে ডিম ও মরিচের

  • Update Time : শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬
  • ৪ Time View
রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজারে এখনও পুরোপুরি স্বস্তি ফেরেনি। মাছ ও মাংসের দাম মোটামুটি আগের অবস্থাতেই রয়েছে। তবে এক সপ্তাহের ব্যবধানে ডজনপ্রতি ডিমের দাম কমেছে ১০ টাকা। একই সঙ্গে কাঁচামরিচের দামও কিছুটা কমেছে।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
বাজারে বর্তমানে এক ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়। গত সপ্তাহে একই পরিমাণ ডিমের দাম ছিল ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা। ফলে সপ্তাহের ব্যবধানে ডজনপ্রতি ডিমের দাম কমেছে প্রায় ১০ টাকা।
এদিকে কাঁচামরিচের দামও কমতির দিকে। বর্তমানে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল প্রায় ৩০ টাকা বেশি।
অন্যদিকে বাজারে প্রতি কেজি পটল বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকায়, শসা ৬০, করলা ৮০, বরবটি ৮০, ধুন্দুল ৬০, ঝিঙা ৮০ এবং চিচিঙ্গা ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
এ ছাড়া গোল বেগুন ৮০, কাঁকরোল ৮০, গাজর ১২০, পেঁপে ৪০, ঢ্যাঁড়স ৬০, শিম ২০০, টমেটো ১২০, কচু ৮০, মিষ্টি কুমড়া ৬০ ও মুলা ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা কলা প্রতি হালি ৪০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৬০ টাকা এবং কচুর লতি প্রতি কেজি ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
কারওয়ান বাজারের সবজি বিক্রেতা আলী মিয়া বলেন, কাঁচামরিচের সরবরাহ আগের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে। এ কারণে দামও কমেছে। অন্যদিকে অন্যান্য সবজির সরবরাহ ও চাহিদা স্বাভাবিক থাকায় সেগুলোর দামে তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি।
বাজার করতে আসা সাব্বির রহমান বলেন, মরিচের দাম কমায় কিছুটা স্বস্তি মিলেছে। তবে বাজারের অন্যান্য সবজির দাম এখনও বেশি। সব ধরনের পণ্যের দাম কমলে সাধারণ মানুষের জন্য বাজার করা সহজ হতো।
এদিকে মুরগির বাজারে গত সপ্তাহের তুলনায় ব্রয়লার মুরগির দাম কিছুটা কমেছে। আগে প্রতি কেজি ২০০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ১৯০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। তবে সোনালি, হাইব্রিড ও লেয়ার মুরগির দামে কোনো পরিবর্তন নেই। সোনালি মুরগি ৩২০ থেকে ৩৪০, হাইব্রিড ২৯০ থেকে ৩০০ এবং লেয়ার মুরগি ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
অন্যদিকে মাছের বাজারে দেখা গেছে ওঠানামার প্রবণতা। চাষের পাঙাশ প্রতি কেজি ২৩০ টাকা এবং তেলাপিয়া ২৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। মানভেদে চিংড়ি ৮০০ থেকে ৯০০, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০, রুই ৩০০ থেকে ৫০০ এবং ট্যাংরা ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
এ ছাড়া ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০, বাইন ৬০০ থেকে ৮০০, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০, চাষের কই ৩০০, পোয়া ২৬০ এবং শোল মাছ ৭০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে চাষের শিং মাছের দাম ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা। আর রূপচাঁদা, বড় শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে কেজিপ্রতি গুনতে হচ্ছে এক হাজার টাকার বেশি।
তবে গরুর মাংসের বাজারেও বড় কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। বর্তমানে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
সব মিলিয়ে কিছু পণ্যের দাম কমলেও মাছ, মাংস ও অন্যান্য নিত্যপণ্যের দামে বড় কোনো পরিবর্তন না আসায় বাজারে ক্রেতাদের স্বস্তি পুরোপুরি ফেরেনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
স্বপ্নপূরণের ক্ষণগণনা
অপেক্ষা উদ্বোধনের
দিন
ঘন্টা
মিনিট
সেকেন্ড
© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Theme Customized By BreakingNews