1. admin@thedailypadma.com : admin :
সিলেট নগরীসহ পুরো জেলায় বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে - দ্য ডেইলি পদ্মা
রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ০৯:৫২ অপরাহ্ন

সিলেট নগরীসহ পুরো জেলায় বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৯ মে, ২০২২
  • ৩৩৩ Time View

সিলেট নগরীসহ পুরো জেলায় বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন লাখ লাখ মানুষ। আশ্রয় নিয়েছেন বিভিন্ন স্কুল কলেজ ও আশ্রয় কেন্দ্রে। দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানি ও শুকনো খাবারের সংকট। বুধবার পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটেছে।

সিলেট জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় এ পর্যন্ত ২৭৫টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এর মধ্যে সিলেট নগরীতে খোলা হয়েছে ২২টি আশ্রয়কেন্দ্র। এ পর্যন্ত সিলেটে ৭৮টি আশ্রয়কেন্দ্রে লোকজন আশ্রয় নিয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে মোট আশ্রিত লোকের সংখ্যা ৬ হাজার ৪৭৫।

সিলেট জেলার ১০৫টি ইউনিয়নের মধ্যে ৫৫টি ইউনিয়ন সম্পূর্ণভাবে এবং চারটি ইউনিয়ন আংশিক প্লাবিত হয়েছে। বন্যাকবলিত হয়েছে প্রায় ১২ লাখ মানুষ। বন্যায় আউশ ধানের বীজতলা ১ হাজার ৩০১ হেক্টর এবং বোরো ধানের ১ হাজার ৭০৪ হেক্টর জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গ্রীষ্মকালীন সবজি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১ হাজার ৪ হেক্টর।

এছাড়া এলজিইডির ২০১.২২৩ কিলোমিটার রাস্তা এবং ২৮ মিটার কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগের ১০টি সড়কের ৫৫.৬০ কিলোমিটার পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। বন্যার কারণে নৌকাডুবিতে সিলেট সদর ও জৈন্তাপুর উপজেলায় তিনজন এবং গোলাপগঞ্জ উপজেলায় পাহাড় ধসে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড, সিলেটের তথ্য অনুযায়ী, সিলেটের কানাইঘাটে সুরমা বিপৎসীমার ১৪৩ সেন্টিমিটার, সিলেটে সুরমা বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার, আমলসীদে কুশিয়ারা বিপৎসীমার ১০৩ সেন্টিমিটার এবং শেওলায় কুশিয়ারা বিপৎসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এদিকে সিলেট নগরীর বন্যাকবলিত এলাকার বিদ্যুৎ সঞ্চালন কেন্দ্রে পানি প্রবেশ করায় বিদ্যুৎ ছিল না দক্ষিণ সুরমা এলাকায়। ওই সব এলাকার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বাড়িঘরে পানি ঢুকেছে। কোথাও হাঁটুপানি আবার কোথাও কোমরপানি রয়েছে। পানির কারণে মানুষজন রাস্তায় চলাচল করতে পারছে না। বাড়ির রিজার্ভ ট্যাংকে নর্দমার পানি প্রবেশ করায় দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানির সংকট।

এদিকে সীমান্তবর্তী সিলেট সদর উপজেলা, কানাইঘাট, কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট, জকিগঞ্জ ও জৈন্তাপুর উপজেলার বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সিলেটের উপসহকারী প্রকৌশলী নিলয় পাশা জানান, উজানে এখনো প্রচুর বৃষ্টি হচ্ছে। ফলে নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে। সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিধায়ক রায় চৌধুরী জানান, সিলেট নগরীতে বন্যা আশ্রয়ণ কেন্দ্র খোলা হয়েছে। আশ্রিত পরিবারের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় সেবা তারা পাবে। পুরো বিষয়টি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. মজিবর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, কিছু সরকারি স্থাপনায় পানি উঠলেও সেবা ব্যাহত হচ্ছে না। সব প্রতিষ্ঠানেরই স্বাভাবিক কার্যক্রম অব্যাহত আছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
স্বপ্নপূরণের ক্ষণগণনা
অপেক্ষা উদ্বোধনের
দিন
ঘন্টা
মিনিট
সেকেন্ড
© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Theme Customized By BreakingNews