রাজশাহী, খুলনা বিভাগসহ দেশের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদু তাপপ্রবাহ বিস্তার লাভ করছে, যা বর্তমানে ২৪ জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে। আগামী তিন দিন দেশের বিভিন্ন এলাকায় এ তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে।
সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা বাড়ার পাশাপাশি অনেক জায়গায় বজ্রসহ বৃষ্টি হবে- এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। রোববার সন্ধ্যায় আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, লঘুচাপের
বঙ্গোপসাগরে গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালার প্রভাবে দেশের উপকূল ও সমুদ্রবন্দরে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে দেশের চার সমুদ্রবন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বুধবার (১৯
দেশজুড়ে জলীয় বাষ্পের আধিক্যেতার কারণে ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ রাজধানীসহ সারাদেশের মানুষ। এমন পরিস্থিতির মধ্যে সুখবর দিলো আধিক্যের কারণে অধিদপ্তর। সংস্থাটি জানিয়েছে যে বাংলাদেশের ওপর দিয়ে মৌসুমি বায়ুর প্রভাব ইতোমধ্যেই শুরু
পবিত্র ঈদুল আজহার দিন দুপুরের পর রাজধানীতে বৃষ্টি হতে পারে। তবে এতে ভ্যাপসা গরমের তীব্র কষ্ট কমার সম্ভাবনা নেই। ঈদের পরের দিনও একই ধরনের পরিস্থিতি থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া
চলতি জুন মাসে দেশে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে- এমন আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এই ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে স্বল্পমেয়াদি বন্যাও হতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাব না কাটতেই চলতি
দেশের কয়েক অঞ্চলের ওপর দিয়ে দুপুর ১টার মধ্যে সর্বোচ্চ ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড়সহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শুক্রবার (৩১ মে) দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর
সারা দেশে বৃষ্টির পর এবার তাপমাত্রা নিয়ে দুঃসংবাদ দিলো আবহাওয়া অফিস। সংস্থাটি জানিয়েছে, সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা বাড়তে পারে। ফলে দিনে বাড়তে পারে গরমের অনুভূতি। তবে এই সময়ে রাতের তাপমাত্রা
ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’ উপকূল অতিক্রম করে বর্তমানে কয়রা, খুলনার কাছে অবস্থান করছে। এটি আরও উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমশ বৃষ্টিপাত ঝরিয়ে পরবর্তী ২-৩ ঘণ্টার মধ্যে কিছুটা দুর্বল হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে
ঘূর্ণিঝড় রেমাল গতি বাড়িয়ে বাংলাদেশের উপকূলের দিকে এগোচ্ছে এবং সন্ধ্যা ৬টার পর ৩ থেকে ৪ ঘণ্টায় এটি দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূল অতিক্রম শুরু করতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আজ রবিবার