বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনা থেকে সংক্ষেপে গুরুত্বপূর্ণ কিছু সংবাদ থাকছে দ্য পদ্মা২৪.কম এর পাঠকদের জন্য- হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ খুলে দেওয়ার ঘোষণা ইরানের যুদ্ধবিরতির বাকি সময় পর্যন্ত বাণিজ্যিক
ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইদ খাতিবজাদেহ বলেছেন, তেহরান কোনো অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি মানবে না। তারা পুরো অঞ্চলে যুদ্ধের অবসান চান। তুরস্কে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার প্রতিবেদনে এই তথ্য
হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ে সুখবর দিয়েছে ইরান। দেশটি ওমান-সংলগ্ন হরমুজ প্রণালীর দিক দিয়ে জাহাজগুলোকে কোনো হামলার ঝুঁকি ছাড়া অবাধে চলাচলের অনুমতি দেওয়ার একটি প্রস্তাব বিবেচনা করছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের ওপর সামরিক ও কূটনৈতিক চাপ বৃদ্ধির লক্ষ্যে সেখানে নতুন করে ১০ হাজারের বেশি সেনাসদস্য পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার (১৫ এপ্রিল) মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ
হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ করা থেকে সরে গিয়ে আলোচনার টেবিলে ফেরার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ‘চাপ দিচ্ছে’ সৌদি আরব। দেশটির কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল তাদের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে। প্রতিবেদনে
যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে একটি চীনা তেলবাহী ট্যাংকার হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। সংস্থাটির খবরে বলা হয়, ‘রিচ স্টারি’ নামের ট্যাংকারটি ব্লকেড শুরুর পর প্রথমবারের মতো
আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে নতুন করে উত্থান দেখা গেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগামী জাহাজে অবরোধ শুরু করার পর সোমবার তেলের দাম প্রায় ৪ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি
ইরানের উপসাগরীয় অঞ্চলের সব বন্দর অবরুদ্ধ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। আজ সোমবার (১৩ এপ্রিল) ইরানের স্থানীয় সময় বিকাল ৫টা ৩০ মিনিটে আনুষ্ঠানিক পূর্বের ঘোষণা অনুযায়ী অবরোধ শুরু হয় বলে জানিয়েছে মার্কিন সেনাবাহিনীর
পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত সাম্প্রতিক আলোচনায় যুদ্ধের স্থায়ী সমাধান না আসায় ইরানে আবারও বিমান হামলা চালানোর কথা ভাবছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে এমনটাই জানিয়েছে প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।
মার্কিন সামরিক বাহিনী হরমুজ প্রণালিতে মাইন অপসারণ অভিযান শুরু করতে গেলে শেষবারের মতো সতর্কবার্তা পাঠায় ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নৌবাহিনী। আর এই সতর্কবার্তা পেয়ে অভিযানে ইস্তফা দেয় মার্কিন ডেস্ট্রয়ার