বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকার জানিয়েছে, চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনে কাজ করছে। সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকের
নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি সহনীয় পর্যায়ে রাখা, অবনতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি, দ্রুত নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা এবং পতিত ফ্যাসিবাদের নানা ষড়যন্ত্র মোকাবিলার দাবিতে ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আট দিনে
জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, “মৌলিক কিছু সংস্কার করা না হলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। এ অবস্থায় যদি নির্বাচন হয়, তাহলে ‘নির্বাচনের গণহত্যা’ হবে”। রবিবার বিকেলে সিলেটে জামায়াতের এক
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের উৎখাতের মধ্য দিয়ে অভ্যুত্থানে সফলতা অর্জন করেছে। কিন্তু আজকে দুর্ভাগ্যজনকভাবে.. আমরা যেন হাসিনার পাতা ফাঁদে পা না দেই।
দেশব্যাপী নতুন কর্মসূচি ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে সারাদেশে জনসভা করবে বিএনপি। ১০ দিনের এই কর্মসূচির আওতায় দেশের ৬৪ জেলায় জনসভা করা হবে। শনিবার (৮
দেশের চলমান পরিস্থিতিতে স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠক করেছে বিএনপি। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে দেখা করে বিদ্যমান পরিস্থিতিতে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরবে দলটি। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের
‘ফ্যাসিবাদের দোসর পালিয়ে গিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করতে উসকানি দিচ্ছে। তাই দেশে অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে তার দায় উসকানিদাতাদের নিতে হবে। বলে হুশিয়ারী দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা.শফিকুর রহমান। শুক্রবার
ঝিনাইদহের ১২৩ ফুট উঁচু বঙ্গবন্ধু টাওয়ারে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা। বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যার পর কালীগঞ্জ উপজেলার শমসের নগর এলাকায় উত্তাল ছাত্র জনতার রোষানলে পড়ে বঙ্গবন্ধু টাওয়ারটি। শত
কঠোরভাবে আইনশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করে রাষ্ট্র ও সরকারের ভূমিকা দৃশ্যমান করা এখন সময়ের দাবি বলে জানিয়েছে বিএনপি। দলটি বলেছে, উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে সরকার উদ্ভুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সক্ষমতা প্রকাশ করতে না পারলে
বুধবার রাত থেকে শুরু হওয়া রাজধানীর ৩২ নম্বর ভেঙে দেওয়ার কাজ এখনও চলছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিক নাগাদ এই বাড়ি এক্সক্যাভেটর দিয়ে ভাঙতে দেখা যায়। সামনের অংশ প্রায় পুরোটাই