ভারতের মেঘালয়-আসাম থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারী বৃষ্টিপাতে সিলেটে বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। এ অবস্থায় বানভাসি মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। স্থানীয়রা বলছে, কিছুদিন আগের বন্যা ২০০৪
টানা বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে সিলেটে বন্যা পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। তলিয়ে গেছে রাস্তাঘাট। বাড়িঘরে ঢুকেছে বন্যার পানি। অনেক স্থানে বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র ও বৈদ্যুতিক খুঁটি তলিয়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ
পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টিতে সিলেটে আবারও ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে সর্বত্র, পানি ঢুকে পড়েছে সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। শুক্রবার দুপুর ২টা পর্যন্ত ফ্লাইট ওঠানামা করলেও বিকালে
অবিরাম বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকায় সিলেটের বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট ও সদর উপজেলায় কয়েক লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়েছেন। বিশেষ করে গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার
সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যার পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। ধারণা করা হচ্ছে এই বন্যা অতীতের সকল রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে। টানা কয়েকদিনের ভারি বৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলের পানিতে কয়েক লাখ
টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে ইতোমধ্যে বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে সিলেট ও সুনামগঞ্জের বেশ কয়েকটি উপজেলা। ক্রমেই এই অবস্থার অবনতি ঘটছে। এমতাবস্থায় আগামী রোববার (১৯ জুন) থেকে শুরু হচ্ছে
দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে ভারী বর্ষণ আর উজানের ঢলে তিস্তা, বুড়ি তিস্তা, ইছামতি, যমুনেশ্বরী, ধুম, কুমলাই, চাড়ালকাটাসহ বিভিন্ন নদ-নদীতে পানি বেড়েছে। পানি বাড়তে থাকায় আতঙ্কে রয়েছে নদীপাড়ের মানুষ। এদিকে
টানা বৃষ্টিপাত ও ভারত থেকে নেমে আসা উজানের ঢলে সিলেট জেলায় আবারও বন্যায় দেখা দিয়েছে। বন্যা পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি হচ্ছে। জেলার সদর, কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর, কানাইঘাট, জকিগঞ্জ, গোলাপগঞ্জ ও ফেঞ্চুগঞ্জ
প্রথম পরীক্ষায় ভালোভাবেই উত্তীর্ণ কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন বর্তমান নির্বাচন কমিশন। কোনো ধরনের সহিংসতা ছাড়াই সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শেষ হয়েছে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী
নগরীর ২৭ ওয়ার্ডের ১০৫টি কেন্দ্রে ৬৪০ ভোট কক্ষে আজ বুধবার সকাল ৮টায় শুরু হয় ভোট। বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ও শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে ভোটাররা তাদের পছন্দের জনপ্রতিনিধি নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন।