মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন জেলায় আগামী তিন দিন বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ ছাড়া বৃষ্টির সঙ্গে শিলা পড়ারও শঙ্কা রয়েছে। গতকাল শুক্রবার (২১ ফেব্রয়ারি) সকাল
২০২৪ সাল ছিল বিশ্বের উষ্ণতম বছর। বাংলাদেশে এপ্রিল মাসে ছিল রেকর্ড ২৬ দিনের তাপপ্রবাহ। তাপপ্রবাহে সারাদেশে প্রাণ যায় অন্তত ১৫ জনের। বিগত সরকার নানান কাজের কথা জানায়। হিট অফিসার নিয়োগ
আগামী ২৪ ঘণ্টায় রাত ও দিনের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে। একইসাথে শেষরাত থেকে ভোর পর্যন্ত সারাদেশে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে
সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার জন্য জারি করা পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকার তাপমাত্রা নিয়ে নতুন তথ্য দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। রোববার (০২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এসব এলাকায় দিনের
চট্টগ্রাম বিভাগের কুমিল্লা-নোয়াখালী অঞ্চলসহ ময়মনসিংহ, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর। বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে
দেশে তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বুধবার রাত থেকে এক সপ্তাহ ধরে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। যা শীতকালে পরিস্থিতি আরো জটিল করে তুলতে পারে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, সোমবার (২৭ জানুয়ারি) রাতে
শীতের দাপটে কাঁপছে চুয়াডাঙ্গা জেলা। ঠান্ডা বাতাস আর ঘন কুয়াশায় এলাকার পরিবেশ আরও শীতল হয়ে উঠেছে। শীতের তীব্রতা বাড়ায় ভোগান্তি বেড়েছে সাধারণ মানুষের। কনকনে ঠাণ্ডা ও ফুরফুরে বাতাসে মানুষের পাশাপাশি
বৃহস্পতিবার থেকে দেশের তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার ব্যবধানও অনেকটা কমেছে। গতকাল রাজশাহীর বাঘাবাড়ীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আগামী সপ্তাহেই দেশের ওপর দিয়ে বয়ে যেতে পারে একটি শৈত্যপ্রবাহ। ১৯ থেকে ২২ জানুয়ারির মধ্যে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এর সঙ্গে শীত বাড়ারও সম্ভাবনা