পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টিতে সিলেটে আবারও ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে সর্বত্র, পানি ঢুকে পড়েছে সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। শুক্রবার দুপুর ২টা পর্যন্ত ফ্লাইট ওঠানামা করলেও বিকালে
অবিরাম বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকায় সিলেটের বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট ও সদর উপজেলায় কয়েক লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়েছেন। বিশেষ করে গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার
সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যার পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। ধারণা করা হচ্ছে এই বন্যা অতীতের সকল রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে। টানা কয়েকদিনের ভারি বৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলের পানিতে কয়েক লাখ
টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে ইতোমধ্যে বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে সিলেট ও সুনামগঞ্জের বেশ কয়েকটি উপজেলা। ক্রমেই এই অবস্থার অবনতি ঘটছে। এমতাবস্থায় আগামী রোববার (১৯ জুন) থেকে শুরু হচ্ছে
কিশোরগঞ্জের ইটনা হাওরে নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ বাবা-ছেলেসহ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। মঙ্গলবার সকাল ৯টায় উপজেলার বড়িবাড়ি ইউনিয়নের এনশহিলার হাওর থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। কিশোরগঞ্জ
সিলেটের জকিগঞ্জের অমলশিদ এলাকায় বরাক মোহনায় সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর উৎসস্থলের একটি ডাইক (নদী প্রতিরক্ষা বাঁধ) ভেঙ্গে প্রবল বেগে পানি ঢুকছে। প্লাবিত হচ্ছে বিস্তীর্ণ এলাকা। শুক্রবার (২০ মে) সকাল পৌনে
সিলেটে বন্যার আট দিন পেরিয়ে গেলেও সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। বরং ভারী বৃষ্টি ও উজানের ঢলে পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। টানা আট দিন ধরে সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর
সিলেট নগরীসহ পুরো জেলায় বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন লাখ লাখ মানুষ। আশ্রয় নিয়েছেন বিভিন্ন স্কুল কলেজ ও আশ্রয় কেন্দ্রে। দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানি ও শুকনো খাবারের
অল্প বৃষ্টির সঙ্গে ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। বুধবার (১৮ মে) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত নগরীতে আরও দুই থেকে আড়াই ইঞ্চি পানি বেড়েছে।
সিলেটে এবারের বন্যা পরিস্থিতি মনে করিয়ে দিল পুরনো স্মৃতি। ২০০৪ সালে এমন পানি হয়েছিল সিলেট শহরে। গত ১৮ বছরের মধ্যে এবারই সবচেয়ে বড় বন্যা হয়েছে। উজানে বৃষ্টি না থামলে বন্যা