1. admin@thedailypadma.com : admin :
মশা বেশি কামড়ানোর আবার কাউকে না কামড়ানোর বৈজ্ঞানিক কারণ আছে - দ্য ডেইলি পদ্মা
বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ব্যাটারিচালিত রিকশার জন্য দ্রুতই নীতিমালা প্রণয়ন করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা কাউকে বন্ধ কিংবা থামিয়ে রাখার কোনো মানসিকতা বর্তমান সরকারের নেই: তথ্যমন্ত্রী বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামের পতন দেখা গেলেও বাংলাদেশের বাজারে ঘটলো ঠিক উল্টো ঘটনা শিশু আছিয়া হত্যা ও ধর্ষণ মামলার হাইকোর্টের রায় পিছিয়ে সোমবার ইরানের আয়ের সব উৎস বন্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের আলোচিত শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার হাইকোর্টের রায় আজ আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি: ২৫ আগস্ট ২০২৬ এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আগামী বছরের ১৪ মার্চ শুরুর প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নুসরাত হত্যা মামলায় আসামিদের ডেথ রেফারেন্স, আপিল ও জেল আপিলের ওপর আজ রায়

মশা বেশি কামড়ানোর আবার কাউকে না কামড়ানোর বৈজ্ঞানিক কারণ আছে

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২০ অক্টোবর, ২০২২
  • ২৬৩ Time View

আমাদের চারপাশে এমন কিছু মানুষ আছে যাদের মশা খুব কামড়ায় আবার কাউকে একদমই কামড়ায় না। এর পেছনে বৈজ্ঞানিক কারণ আছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

সম্প্রতি বিষয়টি নিয়ে নিউ ইয়র্কের রকফেলার বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নায়ুজীববিদ্যার গবেষক লেসলি ভসহল একটি গবেষণা চালিয়েছেন।

তার গবেষণা বলছে, কিছু কিছু মানুষের চামড়ায় এমন কিছু উপাদান থাকে যা মশাকে আকৃষ্ট করে। সারা জীবনই সেই উপাদানগুলো ত্বকে পাওয়া যায়। তাই চিরকালই তাদের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয় মশা।

মঙ্গলবার বিজ্ঞানবিষয়ক পত্রিকা ‘সেল’-এ গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে। যেখানে ৬৪ জন স্বেচ্ছাসেবকের উপর এ গবেষণা করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

গবেষকরা বলছেন, বিভিন্নভাবে স্বেচ্ছাসেবকদের সাজিয়ে এডিস ইজিপ্টাই মশার সামনে নিয়ে গিয়েছেন তারা। দেখা গিয়েছে, বিশেষ কয়েকজন ব্যক্তির দিকে প্রায় ১০০ গুণ বেশি আকৃষ্ট হয়েছে মশা। বেশ কয়েক বছর ধরে পরীক্ষা করার পরেও একই ফলাফল পাওয়া গেছে। এই ব্যক্তিদের গবেষকেরা ‘মশক চুম্বক’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।

কেন ঘটে এমনটা?

গবেষকদের দাবি, যাদের মশা বেশি কামড়াচ্ছে তাদের ত্বকে কিছু বিশেষ ধরনের অ্যাসিড ক্ষরিত হয়। ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা বজায় রাখতে এই অ্যাসিডগুলি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ত্বক ভেদে বিভিন্ন মানুষের দেহে বিভিন্ন হারে এই উপাদানগুলি ক্ষরিত হয়। ত্বকে বসবাসকারী কিছু ব্যাক্টেরিয়া এই অ্যাসিড থেকে উৎপাদিত ‘পিচ্ছিল’ কণাগুলির উপর নির্ভর করে বেঁচে থাকে। মানুষের গায়ের গন্ধও কিছুটা এই উপাদানের উপর নির্ভর করে।

বিজ্ঞানীদের ধারণা, এই উপাদানের প্রতিই আকৃষ্ট হয় মশা। যেহেতু এই অ্যাসিডগুলো ত্বকের স্বাভাবিক উপাদান, তাই জোর করে এই উপাদানগুলো দেহ থেকে দূর করতে গেলে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে। ফলে মশার কামড় থেকে বাঁচার উপায় নেই।

সূত্র : আনন্দবাজার

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
স্বপ্নপূরণের ক্ষণগণনা
অপেক্ষা উদ্বোধনের
দিন
ঘন্টা
মিনিট
সেকেন্ড
© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Theme Customized By BreakingNews