1. admin@thedailypadma.com : admin :
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কক্লিয়ার ইমপ্ল্যাট চিকিৎসা সম্পন্ন হওয়া ৬ শিশুর এক্সটার্নাল পার্ট সুইচ অন করা হয়েছে।।শুনতে পাচ্ছে তারা, কথাও বলতে পারবে - দ্য ডেইলি পদ্মা
শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
পরবর্তী সিরিজ থেকে জাতীয় দলে খেলার জন্য সাকিব আল হাসান বিবেচিত হবেন চট্টগ্রামে তারেক রহমান বিশ্বকাপ থেকে বাদ বাংলাদেশ, স্কটল্যান্ডকে নিলো আইসিসি আইনশৃঙ্খলা ও দুর্নীতি—এই দুটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দিতে চান তারেক রহমান অগ্রণী ব্যাংক ফরিদপুর অঞ্চল শাখার বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে জামায়াত এর গণমিছিল : জামায়াত ক্ষমতায় আসলে উত্তরাঞ্চলের নদীগুলো পুনরুজ্জীবিত করবে: জামায়াত আমির দীর্ঘ ২০ বছর পর চট্টগ্রামের মাটিতে পা রাখতে যাচ্ছেন তারেক রহমান পোস্টাল ব্যালটে সিল দিয়ে ‘দ্রুত’ পোস্ট অফিসে জমা দিন: ইসি শাহরুখ খানের নতুন সিনেমা ‘কিং’ বছরের সবচেয়ে বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমার তালিকায় শীর্ষে

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কক্লিয়ার ইমপ্ল্যাট চিকিৎসা সম্পন্ন হওয়া ৬ শিশুর এক্সটার্নাল পার্ট সুইচ অন করা হয়েছে।।শুনতে পাচ্ছে তারা, কথাও বলতে পারবে

  • Update Time : সোমবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৬০ Time View

মাহবুব পিয়াল ,ফরিদপুর : জন্মগত বধিরতা দূর করণে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত অক্টোবর মাসের ২৬ ,২৭ ও ২৯ তারিখে ৬ বধির শিশুকে কক্লিয়ার ইমপ্ল্যান্ট চিকিৎসা সম্পন্ন করা হয়।


অপারেশন সম্পন্ন হওয়ার ২১ দিন পর সোমবার (২৪ নভেম্বর) ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নাক-কান-গলা সার্জারী বিভাগে কক্লিয়ার ইমপ্ল্যান্ট চিকিৎসা হওয়া সেই বধির ৬জন শিশুদের এক্সটার্নাল পার্ট সুইচ অন করা হয়। যন্ত্র স্থাপনের পরে ছয়টি শিশুই পৃথিবীর প্রথম শব্দ শুনতে পায়।
এতে ভোলা জেলার তিন বছর ১০ মাসের ছোট শিশু ওমর ফারুক, বরিশাল জেলার তিন বছর আট মাস বয়সের শিশু হাফিজা, কুষ্টিয়া জেলার তিন বছর ১০ মাস বয়সের আদিবা, বরিশাল জেলার চার বছর ৮ মাস বয়সের শিশু আলিফ খান, নওগাঁ জেলার চার বছর ৭ মাস বয়সী শিশু রিয়াজ হাসান ও মুন্সিগঞ্জ জেলার তিন বছর ১০ মাস বয়সের শাহেল ইসলাম এই ৬ জন জন্মগতভাবে বধির শিশুদের কানে ইমপ্ল্যান্ট অস্ত্রোপচার করার ২১ দিন পর বাহিরের যন্ত্র এক্সটার্নাল পার্ট সুইচ অন করা হয়।
হাসপাতালের নাক, কান ও গলা বিভাগের প্রধান ও হেড-নেক সার্জারি বিভাগের প্রকল্প পরিচালক (কক্লিয়ার ইমপ্ল্যাট) অধ্যাপক ডাঃ নৃপেন্দ্রনাথ বিশ্বাস বলেন, কক্লিয়ার ইমপ্ল্যান্ট হচ্ছে একটি আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন চিকিৎসাপদ্ধতি। দক্ষ ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে শিশুর কানে ইলেকট্রনিক ডিভাইস লাগিয়ে এ চিকিৎসা করে থাকেন।
কক্লিয়ায় ইমপ্ল্যান্ট কর্মসূচিতে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, নাক কান ও গলা বিভাগের প্রধান ও হেড-নেক সার্জারি বিভাগের প্রকল্প পরিচালক (কক্লিয়ার ইমপ্ল্যাট) অধ্যাপক ডাঃ নৃপেন্দ্রনাথ বিশ্বাস, সহকারী অধ্যাপক (ENT) ডা.এসএম ফয়সাল জিসান,জুনিয়র কনসেপশন (ENT) ডা. সৈকত, ডা. এম আর হাসান সহ নাক কান গলা বিশেষজ্ঞ এবং শিশু বিভাগ ও রেডিওলজি বিভাগের চিকিৎসকগণ উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
স্বপ্নপূরণের ক্ষণগণনা
অপেক্ষা উদ্বোধনের
দিন
ঘন্টা
মিনিট
সেকেন্ড
© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Theme Customized By BreakingNews