
মাহবুব পিয়াল ,ফরিদপুর : জন্মগত বধিরতা দূর করণে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত অক্টোবর মাসের ২৬ ,২৭ ও ২৯ তারিখে ৬ বধির শিশুকে কক্লিয়ার ইমপ্ল্যান্ট চিকিৎসা সম্পন্ন করা হয়।

অপারেশন সম্পন্ন হওয়ার ২১ দিন পর সোমবার (২৪ নভেম্বর) ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নাক-কান-গলা সার্জারী বিভাগে কক্লিয়ার ইমপ্ল্যান্ট চিকিৎসা হওয়া সেই বধির ৬জন শিশুদের এক্সটার্নাল পার্ট সুইচ অন করা হয়। যন্ত্র স্থাপনের পরে ছয়টি শিশুই পৃথিবীর প্রথম শব্দ শুনতে পায়।
এতে ভোলা জেলার তিন বছর ১০ মাসের ছোট শিশু ওমর ফারুক, বরিশাল জেলার তিন বছর আট মাস বয়সের শিশু হাফিজা, কুষ্টিয়া জেলার তিন বছর ১০ মাস বয়সের আদিবা, বরিশাল জেলার চার বছর ৮ মাস বয়সের শিশু আলিফ খান, নওগাঁ জেলার চার বছর ৭ মাস বয়সী শিশু রিয়াজ হাসান ও মুন্সিগঞ্জ জেলার তিন বছর ১০ মাস বয়সের শাহেল ইসলাম এই ৬ জন জন্মগতভাবে বধির শিশুদের কানে ইমপ্ল্যান্ট অস্ত্রোপচার করার ২১ দিন পর বাহিরের যন্ত্র এক্সটার্নাল পার্ট সুইচ অন করা হয়।
হাসপাতালের নাক, কান ও গলা বিভাগের প্রধান ও হেড-নেক সার্জারি বিভাগের প্রকল্প পরিচালক (কক্লিয়ার ইমপ্ল্যাট) অধ্যাপক ডাঃ নৃপেন্দ্রনাথ বিশ্বাস বলেন, কক্লিয়ার ইমপ্ল্যান্ট হচ্ছে একটি আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন চিকিৎসাপদ্ধতি। দক্ষ ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে শিশুর কানে ইলেকট্রনিক ডিভাইস লাগিয়ে এ চিকিৎসা করে থাকেন।
কক্লিয়ায় ইমপ্ল্যান্ট কর্মসূচিতে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, নাক কান ও গলা বিভাগের প্রধান ও হেড-নেক সার্জারি বিভাগের প্রকল্প পরিচালক (কক্লিয়ার ইমপ্ল্যাট) অধ্যাপক ডাঃ নৃপেন্দ্রনাথ বিশ্বাস, সহকারী অধ্যাপক (ENT) ডা.এসএম ফয়সাল জিসান,জুনিয়র কনসেপশন (ENT) ডা. সৈকত, ডা. এম আর হাসান সহ নাক কান গলা বিশেষজ্ঞ এবং শিশু বিভাগ ও রেডিওলজি বিভাগের চিকিৎসকগণ উপস্থিত ছিলেন।
Leave a Reply