1. admin@thedailypadma.com : admin :
রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান মায়ানমারের - দ্য ডেইলি পদ্মা
সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:১৮ অপরাহ্ন

রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান মায়ানমারের

  • Update Time : শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২৯ Time View

রোহিঙ্গা সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে গণহত্যা চালানোর অভিযোগকে শুক্রবার ‘ভিত্তিহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে মায়ানমার। দেশটি আন্তর্জাতিক বিচার আদালতকে জানিয়েছে, তাদের কঠোর অভিযান ছিল একটি ‘সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান’।

মায়ানমার জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালতে দ্য গাম্বিয়ার আনা অভিযোগের বিরুদ্ধে আত্মপক্ষ সমর্থন করছে। দ্য গাম্বিয়া অভিযোগ করেছে, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমারের কর্মকাণ্ড ১৯৪৮ সালের জাতিসংঘ গণহত্যা সনদের লঙ্ঘন।

প্রেসিডেন্টের দপ্তরের মন্ত্রী কো কো হ্লাইং আদালতকে বলেন, ‘এই মামলার রায় প্রমাণিত তথ্যের ভিত্তিতেই হবে, ভিত্তিহীন অভিযোগের ওপর নয়। আবেগপ্রবণ ভাষা ও অস্পষ্ট বাস্তবচিত্র কঠোর তথ্য উপস্থাপনের বিকল্প হতে পারে না।’

মায়ানমার দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছে, ২০১৭ সালে তাদের সশস্ত্র বাহিনী যে অভিযান চালায়, তা ন্যায্য ছিল। ওই সময় একাধিক হামলায় এক ডজন নিরাপত্তা সদস্য নিহত হওয়ার পর রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের নির্মূল করতেই এই অভিযান চালানো হয়।

হ্লাইং বিচারকদের বলেন, ‘মায়ানমারের পক্ষে চুপচাপ বসে থাকা এবং উত্তর রাখাইন রাজ্যে সন্ত্রাসীদের অবাধ বিচরণ করতে দেওয়ার কোনো বাধ্যবাধকতা ছিল না।’

তিনি আরো বলেন, ‘এই হামলাগুলোই তথাকথিত “ক্লিয়ারেন্স অপারেশন”-এর কারণ ছিল, যা একটি সামরিক পরিভাষা এবং বিদ্রোহ দমন বা সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের নির্দেশ করে।’

বিচারকরা তিন সপ্তাহ ধরে প্রমাণ শুনবেন, এরপর সিদ্ধান্ত নেবেন রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সহিংস কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মায়ানমার গণহত্যা সনদ লঙ্ঘন করেছে কি না।

এই সনদের আওতায় কোনো রাষ্ট্র যদি মনে করে যে লঙ্ঘন হয়েছে, তবে সে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে অন্য যেকোনো রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে।

এই আদালত রাষ্ট্রগুলোর মধ্যকার বিরোধ নিষ্পত্তি করে।চূড়ান্ত রায় দিতে কয়েক মাস কিংবা কয়েক বছরও লাগতে পারে। যদিও আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের রায় কার্যকর করার নিজস্ব কোনো ব্যবস্থা নেই, তবে দ্য গাম্বিয়ার পক্ষে রায় গেলে মায়ানমারের ওপর আরো রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি হবে।

হ্লাইং বলেন, ‘গণহত্যার দায় প্রমাণিত হলে তা আমার দেশ ও জনগণের ওপর এক অমোচনীয় কলঙ্ক হয়ে থাকবে।’

তিনি যোগ করেন, ‘এই কার্যক্রমগুলো আমার দেশের সুনাম ও ভবিষ্যতের জন্য মৌলিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
স্বপ্নপূরণের ক্ষণগণনা
অপেক্ষা উদ্বোধনের
দিন
ঘন্টা
মিনিট
সেকেন্ড
© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Theme Customized By BreakingNews