1. admin@thedailypadma.com : admin :
সৌদিতে ইরানের হামলায় ৫ মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত - দ্য ডেইলি পদ্মা
মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ইরানের উপসাগরীয় অঞ্চলের সব বন্দর অবরুদ্ধ করেছে যুক্তরাষ্ট্র হ্যাপি হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সফল টোটাল হিপ রিপ্লেসমেন্ট সার্জারি সম্পন্ন চিকিৎসকের কাছে চাঁদা দাবি : সাবেক সেই যুবদল নেতা মঈনসহ গ্রেপ্তার ৭ ইরানে ফের হামলার কথা ভাবছেন ট্রাম্প : ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল সতর্কবার্তা পেয়ে মাইন অপসারণ অভিযানে ইস্তফা দেয় মার্কিন ডেস্ট্রয়ার জাহাজ আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৩ এপ্রিল ২০২৬ ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে ইসরায়েলের ব্যয় প্রায় ১১.৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে এক নজরে বিশ্ব সংবাদ: ১২ এপ্রিল ২০২৬ হরমুজ প্রণালি পার হতে হলে টোল দিতে হবে ইরানি মুদ্রায়: তেহরান

সৌদিতে ইরানের হামলায় ৫ মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত

  • Update Time : শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬
  • ৩৯ Time View

যুদ্ধ শুরুর পর ইরানের হামলায় সৌদি আরবে এখন পর্যন্ত মার্কিন বিমান বাহিনীর পাঁচটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুইজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিধ্বস্ত হওয়া পাঁচটি উড়োজাহাজই সৌদির মার্কিন বিমানঘাঁটি প্রিন্স সুলতান এয়ার বেইসের এবং সবগুলোই রি-ফুয়েলিং বিমান।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে গত কয়েক দিনে বিধ্বস্ত হয়েছে এই বিমানগুলো, তবে পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়নি। উড়োজাহাজগুলো মেরামত করে পুনরায় ব্যবহার করা সম্ভব। এই পাঁচ বিমান বিধ্বস্তের সময় কেউ নিহত কিংবা আহত হয়নি বলেও জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

গত শুক্রবার (১৩ মার্চ) ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে বিধ্বস্ত হয়েছে মার্কিন বিমানবাহিনীর একটি কেসি-১৩৫ রি-ফুয়েলিং যুদ্ধবিমান। চালক ও সহ-চালকসহ বিমানটিতে মোট ছয়জন ক্রু ছিলেন। তাদের মধ্যে চারজন নিহত হয়েছেন, বাকি দু’জনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

উল্লেখ্য, আকাশে উড্ডয়নরত অবস্থায় যুদ্ধবিমানে জ্বালানি সরবরাহের জন্য রি-ফুয়েলিং বিমান ব্যবহার করা হয়। গত শতকের পঞ্চাশের দশক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনী নিয়মিত রি-ফুয়েলিং উড়োজাহাজ ব্যবহার করছে এবং এই উড়োজাহাজ মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।

পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একইসময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরাইলও।

হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে ইসরাইল ও মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ছয় দেশ সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্তর আরব আমিরাত, ওমানে অবস্থিত মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা শুরু করে ইরান, যা এখনও চলছে।—সূত্র: রয়টার্স

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
স্বপ্নপূরণের ক্ষণগণনা
অপেক্ষা উদ্বোধনের
দিন
ঘন্টা
মিনিট
সেকেন্ড
© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Theme Customized By BreakingNews