ব্যবসায়ীরা বলছেন, চাহিদার তুলনায় অতিরিক্ত সরবরাহ, সীমান্তপথে অবৈধভাবে মসলা প্রবেশ, মানুষের কমে যাওয়া ক্রয়ক্ষমতা এবং প্যাকেটজাত মসলার ব্যবহার বৃদ্ধির কারণে বাজারে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ফলে ঈদের মৌসুমেও কাঙ্ক্ষিত বেচাকেনা পাচ্ছেন না তারা।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, চাহিদার তুলনায় অতিরিক্ত সরবরাহ, সীমান্তপথে অবৈধভাবে মসলা প্রবেশ, মানুষের কমে যাওয়া ক্রয়ক্ষমতা এবং প্যাকেটজাত মসলার ব্যবহার বৃদ্ধির কারণে বাজারে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ফলে ঈদের মৌসুমেও কাঙ্ক্ষিত বেচাকেনা পাচ্ছেন না তারা।
চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ ঘুরে দেখা গেছে, এলাচ, লবঙ্গ, দারুচিনি, গোলমরিচ, জিরা, জায়ফল ও শুকনা মরিচে বাজার ভরা থাকলেও অন্যান্য বছরের মতো ক্রেতাদের চাপ নেই। ব্যবসায়ীরা জানান, আগে বিভিন্ন জেলা থেকে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা এসে ট্রাকভর্তি মসলা কিনে নিয়ে যেতেন। এবার সেই ভিড় অনেক কম। অনেক খুচরা ব্যবসায়ী শুধু বাজারদর দেখে ফিরে যাচ্ছেন।









Leave a Reply