শুরুতে জোসেপের নামে গোলটি দিলেও পরে আত্মঘাতী হিসেবে বুনুর নামের পাশে জুড়েছে।সেই গোল শোধ দেয় ৩৯ মিনিটে। ব্রাহিম দিয়াসের শট লাফিয়ে হাইতির গোলরক্ষক পুরোপুরি বিপদমুক্ত করতে না পারলে গোললাইনে থাকা আশরাফ হাকিমি জালে জড়িয়ে দেন। সমতায় ফেরার আনন্দ অবশ্য বেশি সময় উপভোগ করতে পারেনি তারা।
৪৩ মিনিটে যে আবার এগিয়ে যায়।
গোলটিও ছিল দেখার মতো। বক্সের বাইরে থেকে বুলেট গতির এক শট নেন উইলসন ইসিডোর। এতটাই জোরাল ছিল যে গোলরক্ষক বুনু কিছু করার আগেই জালে জড়িয়ে যায়।যোগ করা সময়ে অবশ্য আবার সমতায় ফেরে মরক্কো। ইসমায়েল সাইবারির গোলটিও দৃষ্টিনন্দন ছিল। বক্সের মধ্যে থেকে দারুণ এক ফিনিশিং করেন তিনি। এতে ২-২ গোলের সমতায় বিরতিতে যায় দুই দল।
বিরতির পর অবশ্য আর রোমাঞ্চটা জিইয়ে রাখতে পারেনি হাইতি। শেষ দিকে মরক্কোর ১১ মিনিটের ঝড়ে গুঁড়িয়ে গেছে তারা। ৭৮ মিনিটে প্রথমবার মরক্কোকে লিড এনে দেন সুফিয়ান রাহিমি। আর ৮৯ মিনিটে প্রতিপক্ষের জালে শেষ পেরেক মারেন গেসিমে ইয়াসিন। তাতে প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখে ৪-২ গোলের হাসি হাসে মরক্কো।
বড় জয় পেলেও ‘সি’ গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হওয়া হয়নি মরক্কোর। ব্রাজিলের মতো সমান ৭ পয়েন্ট পেলেও গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় সেলেসাওরা গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়। অন্যদিকে ৩ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় হয় স্কটল্যান্ড।
Leave a Reply