সোমবার (২৯ জুন) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের বাইরে নিমগাছ লাগিয়ে দেশব্যাপী ২৯ হাজারের বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করে তিনি এসব কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জীবদ্দশায় প্রতিবছর একটি করে গাছ লাগাতে হবে সবাইকে। বর্তমানে জলবায়ুর পরিবর্তন হচ্ছে, আগে বর্ষাকাল লম্বা সময় ধরে থাকলেও সেটা এখন থাকছে না।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আরাফাতের ময়দানে অনেকগুলো নিমগাছ লাগানো রয়েছে।
তোমার পাশাপাশি যখন গাছটা বড় হবে দেখবে যে একটা অদ্ভুত একটা ভালোলাগা কাজ করবে।’তারেক রহমান বলেন, ‘শুধু আজকের দিন নয়, প্রতি বর্ষা মৌসুমে অন্তত একটা করে গাছ রোপণ করতে হবে। ছাত্র-ছাত্রীদের গাছ রোপণে উৎসাহ দিতে হবে। স্বাভাবিকভাবে দেশে গাছ যত বাড়বে, আমাদের পরিবেশ তত ঠাণ্ডা হবে। পরিবেশ ঠাণ্ডা হলে আমাদের থাকতেও তত আরাম হবে।’তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে বর্ষা মৌসুম শুরু হয়ে গেছে। কিন্তু যে অনুপাতে বৃষ্টি হওয়া উচিত ছিল, তা হচ্ছে না। আমরা যখন ছোট ছিলাম এই বর্ষাকালে টানা বৃষ্টি হতো। এখন সেই বৃষ্টিটা হচ্ছে না। প্রয়োজন কিংবা অপ্রয়োজনেও গাছ কাটা পড়ছে। ফলে প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এ দেশেই আমাদের থাকতে হবে। আমার ঘর যদি আমি সুন্দর করে গুছিয়ে না রাখি তাহলে আমিও একটা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে থাকব। এতে করে আমার মানসিক এবং শারীরিক ক্ষতি হবে।’
এর আগে বিএনসিসি সদস্যদের গার্ড অব অনার গ্রহণ শেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনপ্রতিরক্ষা ধারণার সঙ্গে বিএনসিসির ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এ কারণেই সংগঠনটিকে দেশের দ্বিতীয় সারির প্রতিরক্ষা শক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
দেশের সর্বস্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিএনসিসির কার্যক্রমকে আরো সম্প্রসারণ এবং অধিক সংখ্যক তরুণ-তরুণীকে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে সরকার কাজ শুরু করেছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে আরও যুগোপযোগী ও শক্তিশালী করতে যথাযথ বিনিয়োগ ও পৃষ্ঠপোষকতা নিশ্চিত করা গেলে বিএনসিসি দেশের তরুণ সমাজের নৈতিক বিকাশ নেতৃত্বের গুণাবলি এবং দেশপ্রেমে জাগ্রত করতে অবদান রাখতে সক্ষম হবে।’
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, উপদেষ্টা মাহদী আমিন প্রমুখ।
Leave a Reply