1. admin@thedailypadma.com : admin :
সংবিধান সংস্কার নয় সংশোধনের কথা বলেছি : মির্জা ফখরুল - দ্য ডেইলি পদ্মা
শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৮:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মার্কিন হামলায় ইরানের শাহাবার সামুদ্রিক নিয়ন্ত্রণ টাওয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় আবারও বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র সংবিধান সংস্কার নয় সংশোধনের কথা বলেছি : মির্জা ফখরুল আকস্মিক বন্যার নেতিবাচক প্রভাব মাছ সবজি ডিমে, বাজার চড়া টানা ষষ্ঠ রাতের মতো ইরানের সামরিক স্থাপনাগুলোতে মার্কিন বাহিনীর অভিযানে নিহত ৮, ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচ সেতু আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৭ জুলাই ২০২৬ আজ ঐতিহাসিক জুলাই শহীদ দিবস ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয় ম্যারাডোনাকে উৎসর্গ করলেন মেসি আর্জেন্টিনার মানুষ এই জয় চেয়েছিল, আমরাও চেয়েছিলাম: লিওনেল মেসি চার বছর ধরে আমরা বিশ্বের সেরা, কেউ পছন্দ করুক বা না করুক: সমালোচকদের মেসি

সংবিধান সংস্কার নয় সংশোধনের কথা বলেছি : মির্জা ফখরুল

  • Update Time : শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬
  • ৪ Time View

বিভিন্ন মুখরোচক কথা বলে বিরোধী দলের অনেকে জনগণকে উত্তেজিত করার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, ‘আমরা তো বরাবরই বলে আসছি যে আমরা সংবিধান সংশোধন করতে চাই। আমরা সংবিধান সংস্কারের কথা কখনোই বলিনি। সুতরাং জনগণ আমাদেরকে যে ভোট দিয়েছে, ম্যানিফেস্টোর মধ্যে যেটা ছিল, সেই ম্যানিফেস্টোতে টু থার্ড মেজরিটি নিয়ে বিএনপি আজ রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে। সুতরাং ওই জায়গায় কোনো রকমের বিভ্রান্তির কোনো অবকাশ আছে বলে আমি মনে করি না।’

শুক্রবার (১৭ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে অধ্যাপক এমাজউদ্দিন আহমেদের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কথা বলেন। স্মরণসভার আয়োজন করে এমাজউদ্দিন আহমেদ রিসার্চ সেন্টার ও বাংলাদেশ জাতীয় সাংবাদিক সমিতি।

অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবি সংসদে আদায় না হলে রাজপথে ফয়সালার কথা বলছে বিরোধী দল। মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য এই কথাগুলো বলা হচ্ছে। যেসব দল আন্দোলনে ছিল, তারা সবাই এই সনদে স্বাক্ষর করেছে। জুলাই সনদের প্রতিটি বিষয় অক্ষর অক্ষরে বাস্তবায়নের কথা বিএনপি বারবার বলছে।

গণভোট ও উচ্চকক্ষে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের মতো কিছু বিষয়ে বিএনপির সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি এবং এসব বিষয়ে দলটি কখনোই একমত ছিল না বলে উল্লেখ করেন ফখরুল।

যে দল নির্বাচিত হবে, তারা তাদের ইশতেহার অনুযায়ী সেটি বাস্তবায়ন করবে, জুলাই সনদে এমনটি উল্লেখ আছে জানিয়ে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ‘উই আর কমিটেড। আমরা ৩১ দফাতে যেমন কমিটেড, ঠিক তেমনিভাবে আমরা কমিটেড হচ্ছি জুলাই সনদে। কিন্তু সেটা আমরা যেভাবে চেয়েছি, সেভাবে আমরা বলছি। এখানে সম্পূর্ণভাবে ভুল ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে যে আমরা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে চাই না। আমরা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন প্রতিটি অক্ষর আমরা পালন করব, এটা হচ্ছে আমাদের কমিটমেন্ট।’

বিরোধী দল শুধু ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য জুলাইকে ব্যবহার করতে চায় বলে অভিযোগ করেন ফখরুল। তিনি বলেন, ‘আমরা কিন্তু চাই না যে জুলাই শুধু ক্ষমতার যাওয়ার জন্য আরেকটা হাতিয়ারে পরিণত হোক।’

ফখরুল আরও বলেন, ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়েছে, একটা গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। সবাই মিলে এখন লক্ষ্যে পৌঁছাতে হবে। তবে এত সহজে মুহূর্তের মধ্যে সবকিছুকে সুন্দর করে ফেলা যাবে না। সে জন্য ধৈর্য ধরে এগিয়ে যেতে হবে।

অধ্যাপক এমাজউদ্দিন আহমেদ সম্পর্কে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সত্যিকার অর্থে একটি লিবারেল ডেমোক্রেসির পক্ষে সমাজকে নিয়ে যাওয়ার জন্য যে সংগ্রাম, সেই সংগ্রামে যাঁরা পথ দেখিয়েছেন, তাঁদের অন্যতম ছিলেন অধ্যাপক এমাজউদ্দিন আহমেদ। তিনি সত্যিকার অর্থেই একজন প্রকৃত গণতন্ত্রমনা, অসাধারণ রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও দেশপ্রেমী ছিলেন। জীবনের সব দর্শন নিয়ে দেশের মানুষের মুক্তি ও কল্যাণের জন্য কাজ করেছেন।

সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আনোয়ার উল্লাহ চৌধুরী। তিনি বলেন, অধ্যাপক এমাজউদ্দিন একজন আদর্শ শিক্ষক, গবেষক ও গণতন্ত্রচর্চার পথিকৃৎ ছিলেন। তাঁর সবচেয়ে বড় অবদান ছিল জীবনের শেষ বছরগুলোতে তিনি গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্যে নিরন্তর সংগ্রাম করেছেন। তিনি গণতন্ত্রের ওপর গবেষণা করেছেন, গণতন্ত্রের চর্চা করেছেন, লিখেছেন এবং তিনি সক্রিয়ভাবে গণতন্ত্রের পুনঃপ্রবর্তনের জন্যে চেষ্টা করেছেন। বিএনপি যে সংগ্রাম করেছে, তার সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য দেন এমাজউদ্দিন আহমেদ রিসার্চ সেন্টারের আহ্বায়ক আবদুল লতিফ মাসুম। তিনি বলেন, এমাজউদ্দিন আহমেদ ছিলেন বাংলাদেশ জাতিরাষ্ট্রের বাতিঘর। তাঁকে স্মরণ করার মাধ্যমে দেশের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য সন্ধান করতে হবে। বিএনপির প্রতিটি সংকটে তিনি অভিভাবকের ভূমিকা পালন করেছেন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক কামরুল আহসান, দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক আবদুল হাই শিকদার, লেখক আবুল কাশেম হায়দার, বিএফইউজের সাবেক সভাপতি এম আবদুল্লাহ, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ওমর ফারুক, নিউ নেশনের সাবেক সম্পাদক মোস্তফা কামাল মজুমদার প্রমুখ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
স্বপ্নপূরণের ক্ষণগণনা
অপেক্ষা উদ্বোধনের
দিন
ঘন্টা
মিনিট
সেকেন্ড
© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Theme Customized By BreakingNews