1. admin@thedailypadma.com : admin :
ফ্রান্সের ফুটবল ইতিহাসে লিখে দিয়েছে এক বিব্রতকর অধ্যায় - দ্য ডেইলি পদ্মা
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ০২:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কতা ফরিদপুরে ব্যক্তি অর্থায়নে নির্মিত কয়েকটি নান্দনিক স্থাপনা ভেঙে ফেলার নির্দেশ সড়ক বিভাগের ৬-৪ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে ব্রোঞ্জ পদক নিশ্চিত করে থমাস টুখেলের শিষ্যরা ফ্রান্সের ফুটবল ইতিহাসে লিখে দিয়েছে এক বিব্রতকর অধ্যায় কুয়েতে মার্কিন সামরিক রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি ইরানের ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক অভিযান আরও বিস্তৃত করার সম্ভাবনা বাড়ছে, ইসরায়েলে আসছে একাধিক রিফুয়েলিং বিমান! ভাঙ্গায় বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে প্রাণ নাশের হুমকি, আতঙ্কে পরিবার ফরিদপুরে নিখোঁজের দুই দিন পর পাটক্ষেত থেকে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে রাতে মুখোমুখি ফ্রান্স-ইংল্যান্ড ইয়ামালকে ‘অন্তত এবার’ ঐতিহাসিক কিছু গড়ার সুযোগ দেবেন না মেসি

ফ্রান্সের ফুটবল ইতিহাসে লিখে দিয়েছে এক বিব্রতকর অধ্যায়

  • Update Time : রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬
  • ৩ Time View

বিশ্বকাপে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে ৬-৪ গোলে হেরে শুধু ব্রোঞ্জ পদকই হাতছাড়া করেনি ফ্রান্স। ম্যাচটি দেশটির ফুটবল ইতিহাসেও লিখে দিয়েছে এক বিব্রতকর অধ্যায়। প্রায় এক শতাব্দী পর প্রথমবারের মতো কোনো ম্যাচের প্রথমার্ধেই চার গোল হজম করেছে লে ব্লুরা।

মিয়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য দেখায় থমাস টুখেলের ইংল্যান্ড। তৃতীয় মিনিটে ডেকলান রাইসের দুর্দান্ত দূরপাল্লার গোলে এগিয়ে যায় থ্রি লায়ন্সরা। এরপর ১৮ মিনিটে কর্নার থেকে এজরি কনসা ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। ৩৭ ও ৪৫+১ মিনিটে বুকায়ো সাকার জোড়া গোলে বিরতিতে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড।

ফরাসি সংবাদমাধ্যম ও পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৯২৭ সালের পর এই প্রথম কোনো ম্যাচের প্রথমার্ধে চার গোল হজম করল ফ্রান্স। জাতীয় দলের ১৯০৪ সালে যাত্রার পর থেকে ৯০০-র বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচের ইতিহাসে এমন ঘটনা আর ঘটেনি।

সবশেষ ১৯২৭ সালের ১২ জুন বুদাপেস্টে হাঙ্গেরির বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচে বিরতির আগেই ছয় গোল হজম করেছিল ফ্রান্স। সেদিন হাঙ্গেরি শেষ পর্যন্ত ১৩-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছিল। ম্যাচটির প্রথমার্ধেই ১৭, ২৫, ২৬, ৩০, ৩২ ও ৪১ মিনিটে ছয়বার জালের দেখা পায় হাঙ্গেরি।

সেই ১৩-১ হার এখনো ফ্রান্সের ইতিহাসের তৃতীয় বৃহত্তম পরাজয়। তাদের সবচেয়ে বড় দুটি হার আরও পুরোনো- ১৯০৮ অলিম্পিকে ডেনমার্কের কাছে ১৭-১ এবং ১৯০৬ সালে ইংল্যান্ডের অপেশাদার দলের কাছে ১৫-০।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে চার গোল হজমের আগেই আরেকটি দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান হয়েছিল। প্রথমার্ধে তিন গোল হজম করার ঘটনাও ফ্রান্সের ক্ষেত্রে প্রায় ৬৯ বছর পর ঘটেছে। সর্বশেষ ১৯৫৭ সালের ২৭ নভেম্বর ওয়েম্বলিতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে বিরতির আগেই ৩-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েছিল ফরাসিরা। সেদিন টমি টেইলর জোড়া গোল এবং ববি রবসনের এক গোলে ইংল্যান্ড শেষ পর্যন্ত ৪-০ ব্যবধানে জয় পায়।

বিশ্বকাপ বা ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের ইতিহাসেও এর আগে কখনো প্রথমার্ধে চার গোল হজম করেনি ফ্রান্স। ফলে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এই ম্যাচটি শুধু সাম্প্রতিক নয়, বিশ্বকাপ ও ইউরোর ইতিহাসেও তাদের সবচেয়ে বাজে প্রথমার্ধগুলোর একটি হয়ে থাকবে।

তবে বিরতির পর দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে ফ্রান্স। কিলিয়ান এমবাপ্পে জোড়া গোল করেন, একটি গোল করানও। ব্র্যাডলি বারকোলা ও উসমান দেম্বেলেও গোল করেন। একসময় ব্যবধান ৪-৩-এ নামিয়ে এনে ম্যাচে ফেরার আশা জাগিয়েছিল দিদিয়ের দেশমের দল।

কিন্তু বুকায়ো সাকার হ্যাটট্রিক পূর্ণ করা পেনাল্টি এবং যোগ করা সময়ে জুদ বেলিংহামের গোল ফ্রান্সের সব আশা শেষ করে দেয়। শেষ পর্যন্ত ৬-৪ ব্যবধানে হেরে বিশ্বকাপ শেষ করতে হয় লে ব্লুদের।

সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, এই লজ্জার রেকর্ডটি গড়ে উঠল দিদিয়ের দেশমের বিদায়ী ম্যাচেই। ২০১২ সাল থেকে ফ্রান্সের দায়িত্বে থাকা এই কোচের অধীনে দলটি ২০১৮ সালে বিশ্বকাপ জিতেছিল এবং ২০২২ সালে হয়েছিল রানার্সআপ। কিন্তু ১৪ বছরের সফল অধ্যায়ের শেষটা হলো প্রায় এক শতাব্দীর সবচেয়ে বাজে রক্ষণাত্মক প্রথমার্ধের তিক্ত স্মৃতি নিয়ে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
স্বপ্নপূরণের ক্ষণগণনা
অপেক্ষা উদ্বোধনের
দিন
ঘন্টা
মিনিট
সেকেন্ড
© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Theme Customized By BreakingNews