
সরকারি-বেসরকারি স্কুলে লটারির পরিবর্তে পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি নেওয়ার ঘোষণা দিলেও সেখান থেকে সরে আসার চিন্তা করছে সরকার।
সেক্ষেত্রে আগামী বছরও স্কুলে ভর্তিতে লটারি ব্যবস্থা বহাল রাখার আভাস দিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের শীর্ষস্থানীয় একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে সোমবার রাতে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি পদ্ধতি বহাল রাখা যায় কিনা, সে বিষয়ে আলোচনা চলছে। এ বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি।”
ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় শিশুদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টির আশঙ্কা থেকে লটারি ফিরিয়ে আনার বিষয়ে আলোচনা চলছে বলে জানান তিনি।
তার ভাষ্য, “চলতি মাসেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।”
এদিকে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের এক শীর্ষ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ করে এদিন রাতে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “ভর্তিতে পরীক্ষার বদলে লটারি বহাল রাখার বিষয়ে ভাবা হচ্ছে। লটারি বহাল রাখা যায় কিনা বা কোন কোন শ্রেণিতে লটারি বহাল রাখায় যায়, সে বিষয়ে ভর্তি কমিটিকে আলোচনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
“আশা করছি ১০ অগাস্ট এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে।”
গত মার্চে লটারি প্রথা বাতিলের ঘোষণা দেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
গত ১৬ মার্চ এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “বছরের প্রথমে অ্যাডমিশন যেটা হয়, সেখানে আমরা লটারির পরিবর্তে পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করতে যাচ্ছি। আগাম জানিয়ে দিলাম, যেন সবাই সুযোগ পায়।
“আমরা লটারি সিস্টেম উইথড্র করলাম,দ্যাটস ইট।”
সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Leave a Reply