দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাৎসি বাহিনী জার্মানির চূড়ান্ত পরাজয়ের পর ১৯৪৫ সালের ৯ মে তারিখে সরকারিভাবে সামরিক অভিযানে ইতি টেনেছিলেন সোভিয়েত ইউনিয়নের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জোসেফ স্ট্যালিন। রাশিয়া এখনো ৯ মে তারিখটিকে নিজেদের
মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার ইন্দোনেশিয়া-মালয়েশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উদযাপিত হচ্ছে মুসলিমদের অন্যতম বৃহৎ উৎসব ঈদুল ফিতর। এ উপলক্ষে সোমবার (২ মে) সকালে এসব
পূর্ব ইউক্রেনের দোনেৎস্ক ও খারকিভে রুশ বাহিনীর গোলাবর্ষণে আট জন নিহত হয়েছেন। রবিবার মস্কো বাহিনী এ হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছেন আঞ্চলিক গভর্নর পাভলো কিরিলেনকো। সোমবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে
খারকিভ অঞ্চলের চারটি জেলা থেকে রুশ সেনাদের বিতাড়িত করে পুনর্নিয়ন্ত্রণের দাবি করেছে ইউক্রেনের সেনারা। রবিবার এ দাবি করেছেন খারকিভের সামরিক প্রশাসনের প্রধান ওলেগ সিনেগুবভ। খবর বিবিসির। ওলেগ সিনেগুবভ বলেন, কুতুজোভকা,
সংযুক্ত আরব আমিরাতের আকাশে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেছে। রবিবার (১ মে) আবুধাবি-ভিত্তিক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সেন্টার (আইএসি) এক ঘোষণায় এই তথ্য জানিয়েছে। এর মানে দেশটিতে আগামীকাল সোমবার (২ মে)
যুদ্ধের ৬৭তম দিনে ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চল গুলোতে নতুন করে আক্রমণের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে রাশিয়া। ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওলেকসান্দার মোৎযিয়ানিক বলেন, ‘রাশিয়ার
রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর হামলায় একদিনেই ইউক্রেনের দুই শতাধিক সেনা নিহত হয়েছে। এছাড়া নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে ইউক্রেনের ১৭টি সামরিক স্থাপনায়ও আঘাত করেছে রুশ সেনারা। শনিবার (৩০ এপ্রিল) রুশ সেনাদের চালানো এসব
চলমান করোনা মহামারিতে বিশ্বজুড়ে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা আরও কমেছে। একইসঙ্গে আগের দিনের তুলনায় কমেছে নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যাও। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা নেমেছে দেড়
ডনবাসের বিভিন্ন শহরের রুশ বাহিনী অবিরাম গোলা বর্ষণ করছে। তবে ইউক্রেন বলছে, ডনবাস অঞ্চলে রুশ অগ্রাভিযানের আরও কয়েকটি চেষ্টা তারা ব্যর্থ করে দিয়েছে। পূর্ব ইউক্রেনের লুহান্সকের গভর্নর বলেছেন, ওই অঞ্চলে
একাই রাশিয়ার ৪০টির বেশি যুদ্ধবিমান গুঁড়িয়ে দিয়েছেন। ইউক্রেনের চোখে তিনি ‘ঘোস্ট অব কিয়েভ’ নামে পরিচিত। তবে গত মাসে রুশ বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধে মারা গেছেন বলে টাইমস অব লন্ডনের প্রতিবেদনে বলা