সরকারের পদত্যাগের দাবিতে আগামী ২৭ জুলাই ঢাকায় মহাসমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি। শনিবার (২২ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির তারুণ্যের সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। মির্জা
রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে তারুণ্যের সমাবেশ করবে বিএনপি। সরকার পতনের এক দফা আন্দোলনের অংশ হিসেবে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। অন্যদিকে বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে যৌথভাবে শান্তি সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে আওয়ামী লীগের দুই সহযোগী
তথ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘আমাদের দেশে নির্বাচন হবে আমাদের সংবিধানের আওতায়।নির্বাচনে সংবিধানের একচুল ব্যত্যয় হবে না। সংবিধান অনুযায়ী বর্তমান সরকারই নির্বাচনকালীন সরকারের দায়িত্ব
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সহ দলটির সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে বৃহস্পতিবার বৈঠক করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত বৃটিশ হাইকমিশনার সারাহ
১৪ দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে বৈঠক বসতে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী
রাজধানীতে আজও আওয়ামী লীগের ‘শান্তি ও উন্নয়ন শোভাযাত্রা’ এবং বিএনপিসহ সমমনা দল ও জোটের পদযাত্রা রয়েছে। বুধবার (১৯ জুলাই) আওয়ামী লীগের শোভাযাত্রা হবে তেজগাঁওয়ের সাতরাস্তা মোড় থেকে মহাখালী পর্যন্ত। আর
বিএনপির পদযাত্রা না পরাজয় যাত্রা শুরু হয়েছে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিদেশিদের কাছে নালিশ করে বিএনপি কি পেল? ঘোড়ার ডিম পেয়েছে। এখন তারা পদযাত্রা করছে।
শেখ হাসিনার পদত্যাগে এক দফার এই পদযাত্রা আওয়ামী লীগের শোকযাত্রা বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। মঙ্গলবার (১৮ জুলাই) বিকেল পাঁচটা ৫০ মিনিটে শেখ হাসিনার পদত্যাগসহ নির্দলীয় নিরপেক্ষ
সরকারের পদত্যাগসহ নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার একদফা দাবিতে পদযাত্রার কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামছে বিএনপি। পদযাত্রা কর্মসূচিতে অংশ নিতে মঙ্গলবার সকাল থেকে ব্যানার, ফেস্টুন নিয়ে রাজধানীর গাবতলীতে জড়ো হয়েছেন বিপুল সংখ্যক
মুখোমুখি দুই দল। শোভাযাত্রা বনাম পদযাত্রা। চূড়ান্ত শক্তি পরীক্ষার মহড়ায় ফের রাজপথে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও রাজপথের বিরোধী দল বিএনপি। আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ছয় মাস বাকি থাকতেই রাজপথে