দৃশ্যত শান্তিরক্ষী মিশনের অংশ হিসেবে এবং আট বছর আগে ভেঙ্গে যাওয়া দুটি প্রজাতন্ত্রকে রক্ষার লক্ষ্যে মঙ্গলবার রাতে রাশিয়ার ট্যাঙ্ক ও সাঁজোয়া বহর পূর্বাঞ্চলীয় ইউক্রেনে প্রবেশ করেছে। মস্কো বর্তমানে এই দুটি
দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তে বিশাল সংখ্যক সেনা মোতায়েন করে রাখার পর দিন দু’য়েক আগে ইউক্রেন নিয়ে রাশিয়ার সঙ্গে পশ্চিমা বিশ্বের উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত দু’টি রুশপন্থি অঞ্চলকে
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে যুদ্ধবিরতির জন্য ‘মিনস্ক চুক্তির’ আর অস্তিত্ব নেই বলে ঘোষণা করেছেন। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে তিনি এই ঘোষণা করেন। বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘মিনস্ক চুক্তির
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনের লুহানেস্ক ও ডোনেস্ককে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ায় রাশিয়ার পাঁচটি ব্যাংক ও তিনজন বিত্তবান ব্যক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাজ্য। যেন তিনজন ব্যক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে
ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন শুরু হয়ে গেছে। মঙ্গলবার যুক্তরাজ্যের জ্যেষ্ঠ একজন মন্ত্রী এমন মন্তব্য করেছেন। সোমবার পূর্ব ইউক্রেনের রুশপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদী–নিয়ন্ত্রিত দোনবাসের দুটি অঞ্চলকে স্বাধীন হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন। একই সঙ্গে ‘প্রজাতন্ত্র’ দুটিতে
ইউক্রেনের দুটি বিচ্ছিন্ন অঞ্চলে সামরিক ঘাঁটি নির্মাণের অধিকার পেয়েছে রাশিয়া। ওই দুই অঞ্চলের নেতাদের সাথে সই হওয়া নতুন চুক্তির ফলে রাশিয়া এই অধিকার পেয়েছে বলে রাশিয়ার পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক
বিশ্বজুড়ে করোনার তাণ্ডব কোনোভাবেই থামছে না। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন আরো ১২ লাখ ৪৮ হাজার ৪৫০ জন। একই সময়ে মৃত্যু হয়েছে আরো ৬
পূর্ব ইউরোপে রাশিয়ার সাথে পশ্চিমা দেশগুলোর চলমান উত্তেজনার মধ্যেই ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত দু’টি রুশপন্থি অঞ্চলকে ‘স্বাধীন’ রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দিয়েছে মস্কো। এর পরপরই পূর্ব ইউক্রেনের ওই দুই অঞ্চলে রাশিয়ার সেনা
পূর্ব ইউরোপে রাশিয়ার সাথে পশ্চিমা দেশগুলোর চলমান উত্তেজনার মধ্যেই ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত দু’টি রুশপন্থি অঞ্চলকে ‘স্বাধীন’ রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দিয়েছে মস্কো। পশ্চিমা দেশগুলোর সতর্কতা অগ্রাহ্য করেই সোমবার (২১ ফেব্রুয়ারি) এই
ইউক্রেন সংঘাত অবসানে কোনও ধরনের শান্তি পরিকল্পনার সম্ভাবনা নেই বলে মন্তব্য করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ২০১৫ সালের একটি যৌথ শান্তি পরিকল্পনা অনুযায়ী ফ্রান্স, জার্মানি এবং কিয়েভ একমত পোষণ করলেও