চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মধ্যে, অর্থাৎ আগামী জুনের মধ্যেই সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৮ শতাংশে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ
এক বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ দিনের মুখ দেখেছে ক্রিপ্টোমুদ্রার বাজার। মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে বিশ্বব্যাপী ক্রিপ্টোকারেন্সির মোট বাজারমূল্য প্রায় অর্ধ ট্রিলিয়ন ডলার কমে গেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের
চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে দেশে পণ্য রপ্তানি থেকে আয় এসেছে ৪৪৩ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার। বছরের ব্যবধানে যা বেড়েছে ৫ দশমিক ৭০ শতাংশ। জানুয়ারিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫ দশমিক ৭০
আরেক দফা বাড়িয়ে দেশের বাজারে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, ভালো মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম
চলতি জানুয়ারির ২৫ দিনে রেমিট্যান্স (প্রবাসী আয়) এলো ১৬৭ কোটি ৫৯ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ২০ হাজার ৬১৪ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা)। রবিবার (২৬
চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের সার্বিক অর্থনীতি এখন সংকটময় অবস্থায় রয়েছে। আগামীতে আরও সংকটের মুখোমুখি হওয়ার শঙ্কা আছে। অর্থনৈতিক মন্দার কারণে রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি হচ্ছে। এ কারণে বাজেট বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পড়ছে।
হোটেল ও রেস্তোরাঁ খাতে ভ্যাট আগের মতো পাঁচ শতাংশ করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) আদেশ জারি করবে এনবিআর। এছাড়া ওষুধ ও ইন্টারনেট
ব্যাংকে নগদ অর্থের সংকট আবার কিছুটা বেড়েছে। ব্যাংকগুলোতে নগদ টাকার চাহিদা বেড়েছে, কিন্তু সে অনুপাতে টাকার জোগান বাড়েনি। যে কারণে ব্যাংকগুলো নগদ টাকার চাহিদা মেটাতে এক ব্যাংক অন্য ব্যাংক থেকে
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নানা পদক্ষেপের পরও খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত সব পণ্যেই মূল্যস্ফীতি চরম পর্যায়ে রয়েছে। এর মধ্যে অর্থবছরের মাঝপথে এসে হঠাৎ শতাধিক পণ্য ও সেবার ওপর মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা
মোবাইলফোনে কথা বলা, হোটেল-রেস্তোরাঁ সেবা, ইন্টারনেট সেবা, কোমলপানীয়, সিগারেটসহ শতাধিক পণ্য ও সেবায় শুল্ক ও কর বাড়িয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) রাতে এ–সংক্রান্ত দুটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে। অধ্যাদেশ দুটি