রাশিয়া ইউক্রেনে আক্রমণ করার পর থেকেই ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠেছে শান্তিকামী বিশ্ব। বিশেষ করে ক্রীড়া জগত তো কোনোভাবেই এই আগ্রাসন মেনে নিতে পারছে না। তাই ফিফা-উয়েফার মতো সংস্থাগুলোও আভাস দিচ্ছিল বড়
ইউক্রেনের রুশ আগ্রাসনের পঞ্চম দিনে সোমবার যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে শান্তি আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রিপিয়াত নদীর কাছে ইউক্রেন-বেলারুশ সীমান্তের গোমেল অঞ্চলে এ বৈঠক শুরু হয়। এমন স্বস্তির
কোনো ঘোষণা ছাড়াই রাশিয়া ও ইউক্রেনের আলোচনা শেষ হয়েছে। সোমবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বেলারুশ সীমান্তে আলোচনা শেষে দুই পক্ষই পরামর্শের জন্য তাদের রাজধানীতে ফিরে গেছেন বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কির
রাশিয়ার হামলা এবং সামরিক অভিযানের মুখে ইউক্রেন থেকে পালিয়ে প্রতিবেশী দেশগুলোতে পাঁচ লাখের বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছে বলে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর। সোমবার এক টুইটে সংস্থাটি জানিয়েছে, পালিয়ে যাওয়া
ইউক্রেন ও রাশিয়ার চলমান যুদ্ধ নিয়ে বিশেষ জরুরি বৈঠকে বসেছে জাতিসংঘ। ১৯৫৬ সালে প্রথমবার এমন ‘বিশেষ জরুরি’ বৈঠকের আয়োজন করেছিল জাতিসংঘ। রাশিয়া-ইউক্রেন সংকট নিয়ে আয়োজিত বৈঠকটি জাতিসংঘের ইতিহাসে মাত্র ১১তম
রাশিয়া ও ইউক্রেনের মাঝে চলমান যুদ্ধের পঞ্চম দিনে শান্তি চুক্তির আলোচনায় বসছে দুই দেশ। সোমবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাশিয়া এবং ইউক্রেনের প্রতিনিধিদের শান্তি বৈঠক শুরু হয়েছে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে তৈরি
২ মার্চের মধ্যে ইউক্রেনের দখলে নিতে চান পুতিন। এমনটাই জানালেন রাশিয়ার সাবেক উপ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রেই ফেদোরভ। মার্চ মাসের প্রথম দু’দিন ইউক্রেনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি জানান। কাতার ভিত্তিক আলজাজিরার এক
রাশিয়ার মিত্র বেলারুশে দূতাবাস বন্ধের ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টোনি ব্লিনকেন এক বিবৃতিতে এই ঘোষণা দেন। একইসাথে রাশিয়ায় মার্কিন দূতাবাসে ‘অপরিহার্য নয়’ এমন কর্মকর্তাদের মস্কো ছাড়ার জন্য নির্দেশ
পারমাণবিক অস্ত্র প্রস্তুত রাখার নির্দেশের পর এবার এবার রাশিয়ার কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনীকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পুতিনের নির্দেশনার পর ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনী ও
কয়েক দিন যুদ্ধের পর রাশিয়া ও কিয়েভ আলোচনা শুরু করেছে। ইউক্রেন-বেলারাশ সীমান্তে এই আলোচনা হচ্ছে। কিয়েভ জানিয়েছে, আলোচনায় তাদের লক্ষ্য অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি এবং ইউক্রেন থেকে সকল রুশ সৈন্য প্রত্যাহার। কিয়েভ