কাঠফাটা রোদে তপ্ত চারপাশ। তাপমাত্রার এ পারদ প্রতিদিনই চড়ছে। তাতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। অস্বস্তিকর গরমে ঘর ছেড়ে বেরোনোই দায়! শনিবার (২০ এপ্রিল) দেশের ১২টি জেলায় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির বেশি
সারা দেশে সতর্কতামূলক হিট অ্যালার্ট জারি রয়েছে। এ অবস্থার মধ্যেই দেশের উত্তরপূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকার ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আজ রোববার (২১
তীব্র তাপপ্রবাহে পুড়ছে যশোর। শনিবার (২০ এপ্রিল) জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যশোর বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান বিমান ঘাঁটিতে অবস্থিত আবহাওয়া অফিস বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে এ
চুয়াডাঙ্গায় তীব্র তাপপ্রবাহের পর আজ থেকে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ শুরু হয়েছে। প্রচণ্ড গরমে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। রোদের তাপে জেলা শহরের বিভিন্ন সড়কে রাস্তার পিচ গলে যেতে দেখা গেছে। শনিবার
তীব্র তাপপ্রবাহে পুড়ছে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গা। ঘরে-বাইরে কোথাও স্বস্তি নেই রোদ আর গরমে। প্রখর রোদে পথ-ঘাট সব কিছুই উত্তপ্ত। সব থেকে বেশি কষ্ট পাচ্ছেন খেটে খাওয়া শ্রমিকরা। শুক্রবার
আবহাওয়া অধিদপ্তর আগামী তিন দিনের পূর্বাভাস জানিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন বিভাগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি এবং কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। বুধবার সন্ধ্যায়
চলমান তাপপ্রবাহ অতি তীব্র আকার ধারণ করে দেশের কোথাও কোথাও তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে মনে করছে আবহাওয়া অফিস। এই তাপপ্রবাহ জুলাই পর্যন্ত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে
মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) সকাল থেকে আকাশকে তার প্রখর তেজে সূর্য দখলে রেখেছিল। তবে বিকেল ৩টার দিকে আকাশের গুমোট ভাব দেখা যায়। কালো মেঘে অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায়। আধাঘণ্টা
দেশের বেশিরভাগ জেলার উপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে তাপপ্রবাহ। প্রতিদিনই তাপমাত্রা নতুন নতুন রেকর্ড করছে। সেই ধারাবাহিকতায় আজও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বেড়েছে শূন্য দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, গরম আরো বাড়িয়ে বিদায় নেবে চৈত্র মাস, যার রেশ থাকবে বাংলা নতুন বছরের শুরুতেও। বিদায়ী বছরের শেষ আর নতুন বছরের শুরুতে গরমের সঙ্গে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি