
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা চলছে। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার সকালে খামেনির জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ছয় দিনব্যাপী আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করেছে ইরান। তার দাফনের আগে ইরাকেও শোকযাত্রা অব্যাহত থাকবে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত এএফপির এক সাংবাদিকের তথ্যমতে, খামেনির কফিন আসার আগেই প্রতিশোধের প্রতীক লাল ব্যানার হাতে হাজার হাজার শোকাহত মানুষ তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লার প্রাঙ্গণে জড়ো হন এবং ‘আমেরিকার পতন হোক’ এবং ‘প্রতিশোধ, প্রতিশোধ’ বলে স্লোগান দেন।
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরুর দিকে পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্যসহ নিহত হন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। তার জানাজায় যোগ দিতে ১০০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধিসহ প্রায় দুই কোটি মানুষের তেহরানে সমবেত হওয়ার কথা রয়েছে।
শুক্রবার থেকে তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় খামেনির কফিন সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হয়েছে। শনিবার স্থানীয় সময় ভোর ৬টায় তেহরানের ইমাম খোমেনি মুসাল্লায় মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে যেখানে দর্শনার্থীরা রোববার বিকেল পর্যন্ত শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারবেন।
আগামী বৃহস্পতিবার তার নিজ শহর মাশহাদে তাকে দাফন করা হবে। ইরানি কর্তৃপক্ষ ধারণা করছে, এই আয়োজনে এক কোটি ২০ লাখ থেকে দুই কোটি মানুষ উপস্থিত হতে পারেন। ইরানে কোনো রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের জন্য এর আগে কখনো এত বড় পরিসরে প্রস্তুতি নেওয়া হয়নি।
Leave a Reply