1. admd3rvkk@example.com : admd3rvkk :
  2. admin@thedailypadma.com : admin :
জ্বালানি তেল রপ্তানি বন্ধ করেছে চীন: এশিয়ার জ্বালানি সরবরাহ সংকট আরও বাড়তে পারে - দ্য ডেইলি পদ্মা
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
জ্বালানি তেল রপ্তানি বন্ধ করেছে চীন: এশিয়ার জ্বালানি সরবরাহ সংকট আরও বাড়তে পারে জামায়াতের মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান ডিবি হেফাজতে হামের উপসর্গ নিয়ে প্রাণ গেলো আরও ৪ শিশুর ফেনীতে ১,৫৪২ কোটি টাকার মুহুরী-কহুয়া প্রকল্প উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার রোডম্যাপ জানাবেন শেখ হাসিনা বাল্টিক অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যে ন্যাটোকে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি দিয়েছে রাশিয়া আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি : ১ অক্টোবর ২০২৬ ফরিদপুরে দুর্গাপূজায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা: শতভাগ সিসিটিভি ক্যামেরা নিশ্চিত করার নির্দেশ পুলিশ সুপারের মরক্কোর প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হলেন ফাতিমা জাহরা

জ্বালানি তেল রপ্তানি বন্ধ করেছে চীন: এশিয়ার জ্বালানি সরবরাহ সংকট আরও বাড়তে পারে

  • Update Time : শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১ Time View

চীন চলতি মাসে হংকং ও ম্যাকাও ছাড়া অন্যান্য অঞ্চলে তেলজাত পণ্য রপ্তানি স্থগিত করায় এশিয়ার জ্বালানি বাজারে সরবরাহ সংকট আরও বাড়তে পারে। এর প্রভাব পড়তে পারে চীনের বড় জ্বালানি ক্রেতা সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার ওপর।

সিঙ্গাপুর চীনা পেট্রলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা। কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে সিঙ্গাপুর ১৭ লাখ ৭২ হাজার টন বা প্রায় ১ কোটি ৪৯ লাখ ৭০ হাজার ব্যারেল চীনা পেট্রল আমদানি করেছে। তবে এই পরিমাণ ২০২৫ সালের একই সময়ের তুলনায় ৬২ শতাংশ কম।

এদিকে সিঙ্গাপুরের তেল বাণিজ্যকেন্দ্রে হালকা জ্বালানি পণ্যের মজুত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে। সিঙ্গাপুরে পেট্রলের সঙ্গে বিভিন্ন উপাদান মিশিয়ে তা আবার অন্য দেশে রপ্তানি করা হয়। এর প্রধান গন্তব্য ইন্দোনেশিয়া।

ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রীয় জ্বালানি প্রতিষ্ঠান পারতামিনার মুখপাত্র মুহাম্মদ ব্যারন বলেন, চীনের জ্বালানি রপ্তানি নীতির পরিবর্তনগুলো তারা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। তবে প্রতিষ্ঠানের জ্বালানি সরবরাহের বিভিন্ন উৎস রয়েছে এবং আমদানির ওপর নির্ভরতা কমাতে দেশীয় উৎপাদন ও জৈব জ্বালানির উন্নয়নে কাজ চলছে।

চীনের রপ্তানি করা জ্বালানি পণ্যের বড় অংশই জেট ফুয়েল বা কেরোসিন। এর বেশিরভাগই যায় হংকংয়ে, যা চীনের নতুন রপ্তানি নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে।

কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর চীনা জেট ফুয়েলের দ্বিতীয় বৃহত্তম আমদানিকারক অস্ট্রেলিয়া। এরপর রয়েছে ভিয়েতনাম, জাপান ও মালয়েশিয়া।

ডিজেলের ক্ষেত্রেও হংকংয়ের পর চীনের সবচেয়ে বড় ক্রেতা সিঙ্গাপুর। এরপর রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশ।

তবে অস্ট্রেলিয়া জানিয়েছে, দেশটির হাতে বর্তমানে ৪২ দিনের পেট্রল মজুত রয়েছে, যা প্রয়োজনীয় মাত্রার চেয়ে ১০ শতাংশ বেশি। এছাড়া ২৯ দিনের জেট ফুয়েল মজুত রয়েছে, যা স্বাভাবিক পর্যায়ের মধ্যে। দেশটির সরকারের তথ্য অনুযায়ী, আরও ৪৫টি জাহাজ অস্ট্রেলিয়ার পথে রয়েছে এবং আগামী চার সপ্তাহে সরবরাহের জন্য ৩৫০ কোটি লিটার জ্বালানি নির্ধারিত রয়েছে।

সিডনিভিত্তিক তেল বিশ্লেষক মুকেশ সাহদেভ বলেন, অস্ট্রেলিয়ায় চীনের রপ্তানি স্থগিতের সরাসরি প্রভাব সীমিত হতে পারে। কারণ দেশটির সবচেয়ে বেশি আমদানি করা ডিজেলের প্রধান উৎস দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান, ব্রুনেই ও মালয়েশিয়া।

তবে চীন আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সরবরাহ কমিয়ে দিলে সামগ্রিকভাবে সব ক্রেতার জন্য দাম বেড়ে যেতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেছেন।

এদিকে জেট ফুয়েলের দাম ডিজেলের তুলনায় আরও বেড়েছে। ফলে দুই জ্বালানির দামের ব্যবধান ব্যারেলপ্রতি প্রায় ২ ডলারে পৌঁছেছে, যা জুলাইয়ের মাঝামাঝির পর সর্বোচ্চ।

অন্যদিকে ইউরোপেও জ্বালানি সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা চলছে। শুক্রবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলো অতিরিক্ত ডিজেল মজুত বাজারে ছাড়ার বিষয়ে ফ্রান্সের একটি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে জ্বালানির বাড়তে থাকা দাম কমাতে ইউরোপীয় দেশগুলোকে অতিরিক্ত মজুত বাজারে ছাড়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। সূত্র: রয়টার্স

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
স্বপ্নপূরণের ক্ষণগণনা
অপেক্ষা উদ্বোধনের
দিন
ঘন্টা
মিনিট
সেকেন্ড
০
০
০
০
© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Theme Customized By BreakingNews