1. admd3rvkk@example.com : admd3rvkk :
  2. admin@thedailypadma.com : admin :
দেশে ফেরার রোডম্যাপ জানাবেন শেখ হাসিনা - দ্য ডেইলি পদ্মা
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ফেনীতে ১,৫৪২ কোটি টাকার মুহুরী-কহুয়া প্রকল্প উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার রোডম্যাপ জানাবেন শেখ হাসিনা বাল্টিক অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যে ন্যাটোকে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি দিয়েছে রাশিয়া আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি : ১ অক্টোবর ২০২৬ ফরিদপুরে দুর্গাপূজায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা: শতভাগ সিসিটিভি ক্যামেরা নিশ্চিত করার নির্দেশ পুলিশ সুপারের মরক্কোর প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হলেন ফাতিমা জাহরা প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলন বিকেলে আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি :৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশে ফেরার রোডম্যাপ জানাবেন শেখ হাসিনা

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৩ Time View

আগামী ডিসেম্বরে দেশে ফেরার পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত জানাবেন বলে জানিয়েছেন ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা। তবে সেটি কবে নাগাদ প্রকাশ করবেন তা নিশ্চিত করেননি তিনি।

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। এরপর থেকে সেখানেই অবস্থান করছেন তিনি।

২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে তাকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এই রায় দেওয়া হয়েছিল। তবে শেখ হাসিনা ওই বিচারপ্রক্রিয়া ও রায়কে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ দাবি করে প্রত্যাখ্যান করেছেন।

সম্প্রতি লন্ডনে আয়োজিত একটি সেমিনারে অনলাইনে যুক্ত হয়েছিলেন ক্ষমতাচ্যুত সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। ‘Safeguarding Democracy in Bangladesh: Rights, Freedoms and the Rule of Law’ শীর্ষক ওই সেমিনারে শেখ হাসিনা দাবি করেন, বাংলাদেশ শাসনব্যবস্থা, নিরাপত্তা এবং জনগণের আস্থার ক্ষেত্রে গভীর সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

এ সময় দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ও অর্থনৈতিক মুক্তি ফিরিয়ে দিতে হবে বলেও দাবি করেন তিনি।

সেমিনারে দেশে ফেরার পরিকল্পনা সম্পর্কে শেখ হাসিনা জানান, আগামী ডিসেম্বর মাসে তিনি কীভাবে বাংলাদেশে ফিরবেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা তুলে ধরবেন।

লন্ডনের ওয়ান গ্রেট জর্জ স্ট্রিটের গডফ্রে মিচেল রুমে সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারের আয়োজন করে কানাডা ও যুক্তরাজ্যভিত্তিক গ্লোবাল সেন্টার ফর ডেমোক্রেটিক গভর্ন্যান্স (GCDG)।

সেমিনারে শেখ হাসিনা ছাড়াও বক্তব্য দেন তার ছেলে ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়, যুক্তরাজ্যের এমপি বব ব্ল্যাকম্যান এবং ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সাবেক সদস্য পাওলো কাসাকা।

প্রত্যাবর্তনের প্রেক্ষাপট ও আন্তর্জাতিক সংযোগ

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণ-আন্দোলনের মুখে দেড় দশকের দীর্ঘ শাসনের অবসান ঘটিয়ে দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেন শেখ হাসিনা। এরপর থেকেই তিনি মূলত ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অবস্থান করছেন। তার বিরুদ্ধে দেশে একাধিক হত্যা মামলা, মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারপ্রক্রিয়া ও বিচারিক রায় চলমান রয়েছে। এই নির্বাসিত অবস্থানের পর আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি নিজেই ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণের ইঙ্গিত দিয়েছেন।

তিনি দাবি করেছেন, পলাতক থেকে আইনি লড়াই চালানোর চেয়ে নিজ মাটিতে ফিরে আত্মপক্ষ সমর্থন করা শ্রেয়। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একটি বড় অংশ মনে করছেন, এই ঘোষণা কেবল আইনি লড়াইয়ের অংশ নয়, বরং এটি ভেঙে পড়া দলীয় মনোবল চাঙ্গা করার একটি সুদূরপ্রসারী কৌশলও হতে পারে। এই সময়ে ঢাকা ও নয়াদিল্লির কূটনৈতিক সম্পর্কেও এক ধরনের শীতলতা বিরাজ করছে, যা এই সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে আরো বেশি আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আকাশ ও স্থলপথের সম্ভাব্য রুটম্যাপসমূহ

গোয়েন্দা সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ডিসেম্বরে সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তনের জন্য শেখ হাসিনা ও তার নীতিনির্ধারকরা একাধিক রুটম্যাপ তৈরি করেছেন। আকাশ ও স্থল-উভয় মাধ্যমকেই বিকল্প হিসেবে রাখা হয়েছে।

আকাশপথের পরিকল্পনা : গোয়েন্দা প্রতিবেদনে আকাশপথের বেশ কিছু স্পর্শকাতর রুটের কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নয়াদিল্লি থেকে সরাসরি ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ কিংবা সংবেদনশীল কোনো স্থানে প্রবেশের কৌশল। আরেকটি বিকল্প ম্যাপে হেলিকপ্টার ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে- যেখানে নয়াদিল্লি থেকে উড্ডয়ন করে সরাসরি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় (শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি কমপ্লেক্সের পার্শ্ববর্তী হেলিপ্যাডে) অবতরণের পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া আরেকটি ম্যাপে দিল্লি থেকে হেলিকপ্টারে প্রথমে কলকাতায় নেমে, সেখান থেকে যশোরের বিমানবন্দরে এবং পরবর্তীতে একই হেলিকপ্টারে ঢাকার সংবেদনশীল এলাকায় প্রবেশের ছক কষা হয়েছে।

স্থলপথ বা সড়কপথের রুট বিবরণী : স্থলপথে ভারত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের জন্য

গোয়েন্দা তথ্যে সাতটি প্রধান রুট চিহ্নিত করা হয়েছে :

১. প্রথম রুট : দিল্লি থেকে আগ্রা হয়ে লখনৌ, প্রয়াগরাজ, বারাণসী ও কলকাতা হয়ে পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ এবং যশোর হয়ে ঢাকা।

২. দ্বিতীয় রুট : দিল্লি থেকে আগ্রা, লখনৌ, বারাণসী ও কলকাতা হয়ে ঘোজাডাঙ্গা (ভারত) থেকে ভোমরা স্থলবন্দর (বাংলাদেশ) হয়ে খুলনা ও ঢাকা।

৩. তৃতীয় রুট : দিল্লি থেকে লখনৌ, বারাণসী, পাটনা ও মালদার মহদীপুর (ভারত) হয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ ও রাজশাহী হয়ে ঢাকা।

৪. চতুর্থ রুট : দিল্লি থেকে লখনৌ, বারাণসী, পাটনা ও শিলিগুড়ির হিলি (ভারত) হয়ে দিনাজপুরের হিলি (বাংলাদেশ) ও ঢাকা।

প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

৫. পঞ্চম রুট : দিল্লি থেকে লখনৌ, গোরখপুর, শিলিগুড়ি ও চ্যাংড়াবান্ধা (ভারত) হয়ে বুড়িমারী (বাংলাদেশ) ও রংপুর হয়ে ঢাকা।
৬. ষষ্ঠ রুট : দিল্লি থেকে লখনৌ হয়ে গুয়াহাটি, শিলং ও ডাউকি (ভারত) হয়ে তামাবিল ও সিলেট হয়ে ঢাকা।

৭. সপ্তম রুট : দিল্লি থেকে লখনৌ হয়ে গুয়াহাটি ও আগরতলা হয়ে আখাউড়া ও কুমিল্লা সীমান্ত দিয়ে ঢাকা প্রবেশ।

এ ছাড়া চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সৈয়দপুর ও বরিশালের বিমানবন্দর ব্যবহার করে সড়কপথে নিকটবর্তী শহরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ার একটি দূরুত্বভিত্তিক কৌশলগত নকশাও গোয়েন্দাদের হাতে এসেছে বলে জানা গেছে।

ডাটাবেজ তৈরি ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা প্রস্তুতি

ডিসেম্বরকে কেন্দ্র করে দেশের ভেতরে প্রশাসনিক ও গোয়েন্দা তৎপরতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, সম্ভাব্য এই প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে দেশের সব বিমানবন্দর কর্মকর্তা, স্থলবন্দরের ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা, সীমান্তে দায়িত্বরত বিজিবি কর্মকর্তা এবং সীমান্তবর্তী জেলাগুলোর পুলিশ সুপার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপারদের একটি তালিকা দলীয় নেতাকর্মীদের মাধ্যমে তৈরি করা হচ্ছে। পাশাপাশি রাজধানীতে আওয়ামীপন্থী পুলিশ সদস্যসহ গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কর্মকর্তাদের ডাটাবেজ তৈরির কাজও প্রায় সম্পন্ন হয়েছে।
এই তথ্যাবলি সংগ্রহ ও সম্ভাব্য অনুপ্রবেশের প্রস্তুতিমূলক পদক্ষেপের অংশ হিসেবে দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর অবস্থানে রয়েছে। সম্প্রতি রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ঝটিকা মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। বিশেষ করে ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসির একটি ফোনালাপ ফাঁস হওয়ার পর তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এসব বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তনের আগে মাঠপর্যায়ে জনমনে ভীতি ও কৃত্রিম অস্থিরতা তৈরির একটি সুদূরপ্রসারী চক্রান্তের অংশ। এর ফলে পুলিশ ও প্রশাসনের ভেতর ঘাপ্টি মেরে থাকা চক্রগুলোকে চিহ্নিত করতে শুদ্ধি অভিযান শুরু হয়েছে।

আইনি লড়াই বনাম আত্মসমর্পণের কৌশল

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শেখ হাসিনার সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তনের নেপথ্যে আইনি মারপ্যাঁচ এবং রাজনৈতিক টিকে থাকার লড়াই কাজ করছে। পলাতক থেকে আন্তর্জাতিক ও আইনি চাপে থাকার চেয়ে আদালতে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করে আইনি মোকাবেলা করাকে কেউ কেউ কৌশলগত পথ হিসেবে দেখছেন। এর মাধ্যমে রাজনৈতিক সহানুভূতি অর্জন ও দলকে উজ্জীবিত করার সুযোগ থাকে।

তবে দেশের বর্তমান আইনি কাঠামো এবং ট্রাইব্যুনালের বিচারিক প্রেক্ষাপটে এই আত্মসমর্পণ বেশ জটিল। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, সাজাপ্রাপ্ত বা গুরুতর মামলার পলাতক আসামি হিসেবে দেশে ফিরলে তাৎক্ষণিক আইনি প্রক্রিয়া মোকাবেলা করা একটি বিরাট চ্যালেঞ্জ হবে। জামিন পাওয়া বা আইনি প্রক্রিয়ায় স্বস্তি পাওয়া তখন সহজ নাও হতে পারে। তা ছাড়া, বিচার প্রক্রিয়া শুরু হলে দীর্ঘমেয়াদি আইনি লড়াইয়ের আইনি ও রাজনৈতিক পরিণতি কী দাঁড়াবে, তা নিয়ে বড় ধরনের বিতর্ক ও মতভেদ রয়ে গেছে।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মূল্যায়ন ও রক্তপাতের আশঙ্কা

ডিসেম্বরের এই প্রত্যাবর্তন পরিকল্পনা দেশের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে বড় ধরনের সহিংসতার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে সতর্ক করেছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। ২০২৪ সালের গণ-আন্দোলন-পরবর্তী রাজনৈতিক ক্ষত এবং জনমনে জমে থাকা ক্ষোভ এখনো পুরোপুরি প্রশমিত হয়নি। এই অবস্থায় হঠাৎ করে এ ধরনের কোনো প্রচেষ্টা বাস্তবায়িত হলে সীমান্ত এলাকা ও রাজধানীজুড়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও অস্থিতিশীলতা তৈরি হতে পারে।
প্রখ্যাত নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব:) ফজলে এলাহী আকবর এ বিষয়ে নয়া দিগন্তকে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা বুঝতে হবে। সেনাবাহিনী বা অন্য কোনো বাহিনী যদি সাবেক সরকারপ্রধানকে ফিরিয়ে আনতে চায়, সাধারণ মানুষ তা কোনোভাবেই গ্রহণ করবে না। এ ধরনের গুজব কেবল সেনাবাহিনীর মনোবল দুর্বল করার অপচেষ্টা মাত্র।’

রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের (রাওয়া) প্রেসিডেন্ট ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) মোহাম্মদ আবদুল হক মন্তব্য করেছেন, ‘তিনি যদি অপরাধী না হন এবং সাহস থাকে, তবে দলবল নিয়ে আইনগতভাবে দেশে ফিরে আসুন। দেশের মানুষ তাকে স্বাগত জানালে প্রচলিত আইন ও আদালতের মাধ্যমেই তার বিচার হবে।’

অন্য দিকে, পুলিশ সদরদফতরের অতিরিক্ত আইজিপি মো: সাইদুর রহমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয়ে স্পষ্ট জানিয়েছেন, যেকোনো নাগরিকের দেশে ফেরার সাংবিধানিক অধিকার থাকলেও তাকে অবশ্যই দেশের প্রচলিত আইনের মধ্য দিয়েই আসতে হবে। পুলিশ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং ডিসেম্বরকে কেন্দ্র করে বাড়তি কোনো অহেতুক বিশৃঙ্খলা তৈরির সুযোগ দেয়া হবে না। কিশোর গ্যাং ও মাদকের মতো অভ্যন্তরীণ অপরাধ দমনের পাশাপাশি দেশবাসীর নিরাপত্তায় পুলিশ সর্বদা সতর্ক রয়েছে।

পরিশেষ

ডিসেম্বরের এই সম্ভাব্য রুটম্যাপ এবং প্রত্যাবর্তনের আলোচনা কেবল একটি রাজনৈতিক গুঞ্জন নয়, বরং এটি দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ, কূটনীতি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর এক গভীর ছায়া ফেলেছে। একদিকে সরকারের কঠোর আইনি অবস্থান ও নিরাপত্তা প্রস্তুতি এবং অন্য দিকে সাবেক ক্ষমতাসীন দলের মাঠ পুনর্গঠনের কৌশল- সব মিলিয়ে আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশের রাজনীতি এক সংবেদনশীল ও টার্নিং পয়েন্টের মুখোমুখি দাঁড়াতে যাচ্ছে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
স্বপ্নপূরণের ক্ষণগণনা
অপেক্ষা উদ্বোধনের
দিন
ঘন্টা
মিনিট
সেকেন্ড
০
০
০
০
© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Theme Customized By BreakingNews