1. admd3rvkk@example.com : admd3rvkk :
  2. admin@thedailypadma.com : admin :
ফরিদপুরের সবজাননেছা কামিল মহিলা মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নৈতিক স্খলন ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ - দ্য ডেইলি পদ্মা
শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ফরিদপুরের সবজাননেছা কামিল মহিলা মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নৈতিক স্খলন ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ জ্বালানি তেল রপ্তানি বন্ধ করেছে চীন: এশিয়ার জ্বালানি সরবরাহ সংকট আরও বাড়তে পারে জামায়াতের মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান ডিবি হেফাজতে হামের উপসর্গ নিয়ে প্রাণ গেলো আরও ৪ শিশুর ফেনীতে ১,৫৪২ কোটি টাকার মুহুরী-কহুয়া প্রকল্প উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার রোডম্যাপ জানাবেন শেখ হাসিনা বাল্টিক অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যে ন্যাটোকে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি দিয়েছে রাশিয়া আজকে কোন টিভি চ্যানেলে কোন খেলা আজকের নামাজের সময়সূচি : ১ অক্টোবর ২০২৬ ফরিদপুরে দুর্গাপূজায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা: শতভাগ সিসিটিভি ক্যামেরা নিশ্চিত করার নির্দেশ পুলিশ সুপারের

ফরিদপুরের সবজাননেছা কামিল মহিলা মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নৈতিক স্খলন ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ

  • Update Time : শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৮ Time View

মাহবুব পিয়াল,ফরিদপুর : ফরিদপুর শহরের পূর্ব খাবাসপুর এলাকায় অবস্থিত সবজাননেছা কামিল মহিলা মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. আলমগীর হোসাইনের বিরুদ্ধে নৈতিক স্খলন, আর্থিক অনিয়ম, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের সঙ্গে অসদাচরণসহ বিভিন্ন গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বহিষ্কারের দাবি জানিয়েছেন মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষিকা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। অভিযোগপত্রে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মাদ্রাসার ফাজিল প্রথম বর্ষের এক শিক্ষার্থী এবং সবজাননেছা মুসলিম বালিকা এতিমখানার একজন নারী কর্মীকে চাকরি ও অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়ানোর অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, এতিমখানার কয়েকজন শিক্ষার্থী বিষয়টি দেখতে পেয়ে প্রতিবাদ করলে মাদ্রাসা ও এতিমখানায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ওই ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হলে কয়েকজন শিক্ষক-শিক্ষার্থী প্রতিবাদ করেন। এ সময় অধ্যক্ষের নেতৃত্বে কয়েকজন শিক্ষক-শিক্ষিকার সঙ্গে তাদের বাগ্‌বিতণ্ডা হয় এবং শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠি নিয়ে চড়াও হওয়ার অভিযোগ ওঠে। এমনকি শিক্ষার্থীদের শারীরিকভাবে আঘাত ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং টিসি দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মেরও একাধিক অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, মাদ্রাসা সংস্কার ও উন্নয়নের জন্য উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে বরাদ্দ পাওয়া ৩ লাখ টাকা এবং জেলা পরিষদ থেকে বরাদ্দ পাওয়া ২ লাখ টাকা উত্তোলনের পর মাদ্রাসার সাধারণ তহবিলে জমা না দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

এ ছাড়া মন্ত্রণালয়ের অডিটের কথা বলে শিক্ষক-কর্মচারীদের কাছ থেকে জোরপূর্বক আদায় করা ১ লাখ টাকার বেশি অর্থ, ২০২৪, ২০২৫ ও ২০২৬ সালের অধিদপ্তর থেকে পাওয়া টিউশন ফির অর্থ এবং একই সময়ে ফাজিল ও কামিল পরীক্ষার কেন্দ্র খরচের অতিরিক্ত অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও করা হয়েছে।

অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, অর্থের বিনিময়ে মেডিকেল ছুটি দেওয়া, নতুন এমপিও, টাইম স্কেল ও উচ্চতর স্কেলের ফাইল জমা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। কোটেশন ছাড়াই বিভিন্ন শ্রেণির পাঠ্যবই বিক্রির অর্থ গ্রহণ এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মাদ্রাসার অনুদানের জন্য প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বরাদ্দ পাওয়া ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগও করা হয়েছে।

এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানের প্রায় সব আয়-ব্যয় ও ভাউচার নিজ হাতে নিয়ন্ত্রণ, বিএমএড প্রোগ্রাম থেকে অফিসের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ বিতরণ না করা এবং গভর্নিং বডির অনুমোদন ছাড়াই অডিট কমিটি গঠন ও এক বছরে তিনবার কমিটি পরিবর্তনের অভিযোগ রয়েছে।

অধ্যক্ষের আচরণ নিয়েও অভিযোগকারীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। লিখিত অভিযোগে বলা হয়, মহিলা মাদ্রাসা হওয়া সত্ত্বেও তিনি বিভিন্ন সময় শিক্ষক-শিক্ষিকা ও কর্মচারীদের সঙ্গে অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ ভাষায় কথা বলেন। প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন উপকমিটি ও শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা না করেই পরিবর্তন করার অভিযোগও করা হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, শাসনের নামে তাদের শারীরিকভাবে আঘাত করা, পড়াশোনার বিষয়ে কথা বলার অজুহাতে কক্ষে ডেকে আপত্তিকর কথা বলা ও অঙ্গভঙ্গি করার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া গভীর রাত পর্যন্ত অফিস কক্ষে অবস্থান করা এবং আবাসিক শিক্ষার্থীদের কক্ষের দিকে উঁকি দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে। এসব কারণে আবাসিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে অস্বস্তি ও নিরাপত্তাহীনতার পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন।

এছাড়া তিনি ম্যানেজিং কমিটির অনুমতি ছাড়া মাদ্রাসার একটা গাছ কেটে বিক্রি করে দেন।

অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অধ্যক্ষের কাছে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে বলে জানা গেছে। নোটিশে অভিযোগগুলোর বিষয়ে প্রবিধানের বিধান অনুযায়ী কেন তার বিরুদ্ধে শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তা নোটিশ পাওয়ার পরবর্তী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে উপযুক্ত ব্যাখ্যাসহ লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে অধ্যক্ষ মো. আলমগীর হোসাইনের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন,  আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ হয়েছে এবং কারন দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।  আমি কারন দর্শানো নোটিশের

জবাব লিখিত ভাবে দিয়েছি। একটি তদন্ত কমিটি হয়েছে ৫ তারিখ আমাকে ডেকেছে, সেখানে আমি আমার বক্তব্য তুলে ধরবো। এসময় তিনি বলেন, মানুষ মাত্রেই ভুল আছে, আমারও ভুল হতে পারে।  এসময় তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন, আপনি আমাকে কমিটির সদস্য আশিকুর রহিম বাচ্চুর সাথে মিলিয়ে দিন।

শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের দাবি, অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে সত্যতা যাচাই এবং প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
স্বপ্নপূরণের ক্ষণগণনা
অপেক্ষা উদ্বোধনের
দিন
ঘন্টা
মিনিট
সেকেন্ড
০
০
০
০
© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Theme Customized By BreakingNews