রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ মে) বেলা পৌনে ১২টার দিকে এ ভূমিকম্প হয়। এর উৎপত্তিস্থল ময়মনসিংহের ভালুকা বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ
লঘুচাপের বর্ধিতাংশটি পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিরাজমান রয়েছে। এ অবস্থায় সপ্তাহজুড়েই দেশের বিভিন্ন এলাকায় বজ্রসহ ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। সেই সঙ্গে ঈদুল আজহার দিনও ঝড়বৃষ্টি ও ভারি বর্ষণ হতে পারে
দেশের ১৪ জেলায় ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে সারা দেশের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ
সারা দেশে আগামী পাঁচদিনে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে কিছু জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদু তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি। সোমবার (১৮
দেশের উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। শনিবার (৯ মে) বিকেল ৩টা ১০ মিনিটের দিকে লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, রংপুর, দিনাজপুর ও ময়মনসিংহসহ উত্তরবঙ্গের বেশ কিছু এলাকায় এই কম্পন টের পাওয়া
দেশের ১৩ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এর মধ্যে পাঁচ জেলায় ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৮০ কিলোমিটার আর আট জেলায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়
দেশের দুই বিভাগে আগামী চার দিনে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। গতকাল শনিবার ভারী বৃষ্টিপাতের সতর্কবার্তায় সংস্থাটি এ তথ্য জানায়। সতর্কবার্তায় বলা হয়, দেশের উত্তরাঞ্চল ও
দেশের ২১ জেলার ওপর দিয়ে তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ ছাড়া সারা দেশে গরমের তীব্রতা অব্যাহত থাকতে পারে বলেও সংস্থাটি জানিয়েছে। শনিবার
সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে আগামী কয়েক দিনে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটি জানিয়েছে, গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালার প্রভাবে আগামীকাল (২৫ এপ্রিল) সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী ৯৬ ঘণ্টায় এসব
দেশের ছয় জেলায় বজ্রপাতে একদিনে ১২ জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। এতে আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১২ জন। এর মধ্যে সুনামগঞ্জে সবচেয়ে বেশি মানুষের প্রাণ গিয়েছে। সেখানে চার উপজেলায় পাঁচজন মারা