পল্টন থানার নাশকতার একটি মামলায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার (১৭ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
আগামী পাঁচ দিন নির্বাচনী এলাকায় আজ শুক্রবার (৫ জানুয়ারি) থেকে দায়িত্ব পালন করছেন ৬৫৩ বিচারিক হাকিম। অপরাধে জড়িতদের তাৎক্ষণিক শাস্তি দেবেন তারা। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) আইন শাখার কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ইসির
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় নির্বাচনী অপরাধ আমলে নেয়া ও সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচারের জন্য শুক্রবার মাঠে নামছেন ৬৫৩ জন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট। বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনের (ইসি) আইন শাখার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিচারিক
এক মাসের মধ্যে আপিলের শর্তে জামিন পেয়েছেন শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ও নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সোমবার (১ জানুয়ারি) মামলায় রায় ঘোষণার পর এ আদেশ দেন
সম্পদের তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে দুদকের করা মামলার রায় ঘোষণার জন্য আজ (২৮ ডিসেম্বর) দিন ধার্য রয়েছে। ঢাকার বিশেষ
পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সাবেক প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরীসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে গুলশান থানার নাশকতার এক মামলায় রায় ঘোষণার জন্য
শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ চারজনের পক্ষে শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে করা মামলার আইনগত বিষয়ে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়েছে। রবিবার (২৪ ডিসেম্বর) ঢাকার শ্রম আদালতের বিচারক শেখ মেরিনা সুলতানার আদালত
জামিনে মুক্ত হলেন আলোচিত অনলাইন মার্কেট প্লেস ইভ্যালির প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ রাসেল। সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) বিকেলে কাশিমপুর কারাগার থেকে জামিনে বের হন তিনি। মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন
রাজধানীর পল্টন থানায় নাশকতার অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর রিমান্ড নামঞ্জুর করেছেন আদালত। একই সাথে
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের আদেশ চ্যালেঞ্জ করে দেশের সর্বোচ্চ আদালতে গিয়ে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন ছয়জন প্রার্থী। রোববার (১৭ ডিসেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. ইকবাল কবির এবং বিচারপতি এস.