পুরো এপ্রিলজুড়ে তীব্র গরমে সারাদেশে জনজীবন ছিল বিপর্যস্ত। চলতি মাসের রাজধানীসহ সারাদেশে ঝড়-বৃষ্টি হয়ে তাপমাত্রা স্বাভাবিক হয়েছে। দেশের কিছু জেলায় ফের শুরু হয়েছে মৃদু তাপপ্রবাহ। বুধবার (১৫ মে) চার বিভাগ
সারাদেশে ঝড় ও শিলাবৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। ঝড়বৃষ্টির এ প্রবণতা পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টা অব্যাহত থাকতে পারে। গতকাল শুক্রবার (১০ মে) সন্ধ্যা পর্যন্ত ৬টা পর্যন্ত রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ,
আবহাওয়া অফিস সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা আরও কমার পূর্বাভাস দিয়েছে। গতকাল বুধবার (৮ মে) আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশিদ জানিয়েছেন, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ মে)
এপ্রিলজুড়ে টানা তাপপ্রবাহে মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিল। তীব্র গরমে সারাদেশে জনজীবন ছিল বিপর্যস্ত। মে মাসের শুরু থেকে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির দেখা পাওয়া যায়। সামান্য বৃষ্টিতে সাময়িক স্বস্তি এলেও
চলমান তাপপ্রবাহের শেষ দিন হতে পারে আজ শনিবার। জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ তার ওয়েবসাইট আবহাওয়ায় এমন তথ্যই দিয়েছেন। এতে বলা হয়েছে, আজ শনিবার সকাল ৮টা বেজে ৩০ মিনিট সময়কার
সব রেকর্ড ছাড়িয়ে দেশের সর্বোচ্চ তাপামাত্রা ৪৩ দশমিক আট ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) এটিই দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এর আগে গতকাল (২৯ এপ্রিল)
দেশে চলমান তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ ছাড়া সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সোমবার (২৯ এপ্রিল)
অতি তীব্র দাবদাহে চুয়াডাঙ্গায় মানুষের জনজীবন ওষ্ঠাগত হয়ে পড়েছে। গত কয়েক দিন ধরে মাঝারি, তীব্র ও অতি তীব্র দাবদাহ চলছে চুয়াডাঙ্গায়। এর মধ্যে ৭ দিন দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা
প্রবল দাবদাহে পুড়ছে প্রায় গোটা দেশ। তাপপ্রবাহের পরিপ্রেক্ষিতে আবহাওয়া অধিদফতরের জারি করা ‘হিট অ্যালার্ট’ বা তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তার সময় আরও তিন দিন বাড়ল। রোববার (২৮ এপ্রিল) সকালে অধিদফতর আগামী ৭২ ঘণ্টার
চুয়াডাঙ্গায় অব্যাহত রয়েছে তীব্র তাপদাহ। এতে ওষ্ঠাগত হয়ে পড়েছে এখানকার মানুষের জনজীবন। গরমে অস্বস্তি বেড়েছে কয়েক গুণ। শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) বিকেল ৩টায় চুয়াডাঙ্গা জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৪২