করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে বিশেষ ক্যাম্পাইনের মাধ্যমে রাজধানীসহ সারা দেশে শনিবার থেকে ১০ জুন পর্যন্ত দেড় কোটি মানুষকে বুস্টার ডোজ দেয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনা ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনা
আগামী ১২ জুন থেকে শুরু হচ্ছে জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন। ৪ দিনের এই কর্মসূচি শেষ হবে ১৫ জুন। এ বছরের প্রতিপাদ্য শিশুকে ভিটামিন এ খাওয়ান, শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি কমান।
করোনাভাইরাস প্রতিরোধে আগামী ৪ থেকে ১০ জুন বুস্টার ডোজ সপ্তাহ উদযাপনের ঘোষণা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। এ সময় ১৮ বছর বা এর চেয়ে বেশি বয়সের সবাই বুস্টার ডোজ নিতে পারবেন। মঙ্গলবার
‘অবৈধ’ অর্থাৎ অনিবন্ধিত ও নবায়নবিহীন বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধে ৭২ ঘণ্টার সময় বেঁধে দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বেঁধে দেওয়া সেই সময় শেষ হচ্ছে রোববার (২৯ মে)। এর মধ্যেও যেসব
অন্তত ১২টি দেশে ছড়িয়ে পড়া নতুন ভাইরাস ‘মাঙ্কিপক্স’ নিয়ে উদ্বিগ্ন সারাবিশ্ব। এ ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে দেশের প্রতিটি বন্দরে সতর্কতা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র ও
বাংলাদেশ ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর মানুষ ও পশু চিকিৎসায় ব্যবহৃত ৮ ধরনের ওষুধের নিবন্ধন বাতিল করেছে। ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. ইউসুফ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সোমবার এ তথ্য
করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে গত একদিনে দেশে বুস্টার ডোজ পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৭০৪ জন। এখন পর্যন্ত বুস্টার ডোজ পেয়েছেন ১ কোটি ৩৫ লাখ ৫১ হাজার ৯৫০ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) কাছ থেকে বিনামূল্যে সবচেয়ে বেশি করোনার টিকা পেয়েছে বাংলাদেশ। যার আর্থিক বাজার মূল্য ২০ হাজার কোটি টাকা। তিনি বলেন, ‘একই সময়ে আমরা
স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, আমরা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন পেয়েছি। দুই কোটি টিকার চাহিদা আমরা পাঠিয়েছি। ৩০ লাখ টিকা ইতোমধ্যে এসেছে। আমি মা-বাবাদের বলবো ৫ থেকে ১২ বছরের
করোনা প্রতিরোধে টিকা কর্মসূচি শুরু থেকে এখন পর্যন্ত বুস্টার ডোজ পেয়েছেন এক কোটি ২১ লাখ ৪২ হাজার ৭০৬ জন। এছাড়া দুই ডোজ টিকার আওতায় এসেছে ১১ কোটি ৬০ লাখ ৫৬