1. admd3rvkk@example.com : admd3rvkk :
  2. admin@thedailypadma.com : admin :
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম

আগামী বছর থেকে আবারও নতুন আরেকটি শিক্ষাক্রম চালু করতে যাচ্ছে সরকার

  • Update Time : শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫
  • ১৩৮ Time View

আগামী বছর থেকে আবারও নতুন আরেকটি শিক্ষাক্রম চালু করতে যাচ্ছে সরকার। নতুন এ শিক্ষাক্রমে অভিজ্ঞতালব্ধ, জ্ঞাননির্ভর ও বাস্তবসম্মত পাঠদান করানো হবে। তবে কী পদ্ধতিতে পাঠদান বা মূল্যায়ন করা হবে, সে ব্যাপারে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। মাধ্যমিক স্তরের ষষ্ঠ শ্রেণিতে প্রথমে এটি চালু হবে। পরে সপ্তম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত তা বাস্তবায়ন করা হবে।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। গত ২৫ জুন এ নিয়ে এনসিটিবিতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)-এর সচিব অধ্যাপক মো. সাহতাব উদ্দিন এ বিষয়ে সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিক্ষাক্রম পর্যালোচনা করে নতুন কারিকুলাম প্রণয়নের কাজ চলছে। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন ধরনের মূল্যায়ন (অ্যাসেসমেন্ট) চলছে এবং আগামী জুলাই মাসে এ সংক্রান্ত একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে।

এনসিটিবির কর্মকর্তাদের মতে, কারিকুলাম বাস্তবায়নের সব কার্যক্রম আগামী বছর একটি রাজনৈতিক সরকারের অধীনেই সম্পন্ন হবে। কারণ, এটি সরকারের দিকনির্দেশনা ও নীতিগত সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে ঢাকঢোল পিটিয়ে একটি নতুন শিক্ষাক্রম চালু করা হয়েছিল, যার উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষার্থীদের মুখস্থ-নির্ভরতা কমিয়ে অভিজ্ঞতা ও কার্যক্রমভিত্তিক শিক্ষায় জোর দেওয়া। তবে অভিভাবকরা সেই কারিকুলাম স্বাচ্ছন্দ্যে গ্রহণ করতে পারেননি এবং অভিযোগ ছিল যে এটি শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা থেকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে। পরে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সরকার পতনের পর সেই কারিকুলাম বাতিল করে ২০১২ সালের আগের শিক্ষাক্রম পুনর্বহাল করা হয়।

এনসিটিবি সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, নতুন কারিকুলামে অভিজ্ঞতালব্ধ, জ্ঞাননির্ভর ও বাস্তবসম্মত পাঠদানের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হবে। যদিও পাঠদান বা মূল্যায়নের সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এনসিটিবির একজন কর্মকর্তা বলেছেন, ২০২৩ সালের বিতর্কিত কারিকুলামের কিছু সময়োপযোগী দিক এবং ২০১২ সালের কারিকুলামের কার্যকর বিষয়গুলো নতুন কারিকুলামে অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, এই কারিকুলাম প্রণয়নের কাজটি অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সম্ভব হবে না। কারণ এটি তাদের মূল ম্যান্ডেটের অংশ নয়। একটি শিক্ষাব্যবস্থার মৌলিক পরিবর্তন একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া, যা ব্যাপক গবেষণা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং জনগণের বৃহত্তর অংশের মতামতকে অন্তর্ভুক্ত করে। এর জন্য একটি স্থিতিশীল ও নির্বাচিত সরকারের ধারাবাহিক সমর্থন এবং দিকনির্দেশনা অপরিহার্য, যা অন্তর্বর্তী সরকারের স্বল্পস্থায়ী প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। শিক্ষাবিদ, নীতিনির্ধারক এবং বিভিন্ন অংশীজনের মতামতকে একীভূত করে একটি জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা একটি সুসংগঠিত রাজনৈতিক সরকারের দায়িত্ব, যা দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সঠিক পথে পরিচালিত করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
স্বপ্নপূরণের ক্ষণগণনা
অপেক্ষা উদ্বোধনের
দিন
ঘন্টা
মিনিট
সেকেন্ড
০
০
০
০
© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Theme Customized By BreakingNews