রেমিট্যান্সের পালে হাওয়া যেন লেগেই আছে। যা দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। চলতি মাসের ১৯ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১৫২ কোটি ২৩ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার। রবিবার (২০ জুলাই) রেমিট্যান্সের
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ের প্রথম ১৬ দিনে ১৪২ কোটি ১০ লাখ (১.৪২ বিলিয়ন) ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ (এক ডলার ১২১ টাকা ধরে) প্রায়
দেশে বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ বাড়ায় টাকার বিপরীতে ডলারের বিনিময় হার কমল ২ টাকা ২০ পয়সা। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আজ সোমবার আন্তঃব্যাংকিং ডলারের বিনিময় মূল্য দাঁড়িয়েছে ১২০ টাকা ১০
দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমেছে। মঙ্গলবার থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। সোমবার বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এ
বাংলাদেশের অর্থনীতি সচল রাখার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন প্রবাসীরা।তাদের পাঠানো রেমিট্যান্সের ওপর ভর করে শক্তিশালী ভিত গড়চ্ছে দেশের অর্থনীতি। গত বছর গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশে পটপরিবর্তনের পর প্রত্যেক মাসেই রেমিট্যান্সের প্রবাহ
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আন্দোলনরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনতিবিলম্বে কর্মস্থলে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। অন্যথায় দেশের জনগণ ও অর্থনীতির সুরক্ষায় সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার বার্তা দিয়েছে। সম্প্রতি এনবিআর পুনর্গঠনের সিদ্ধান্তের পর
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার গ্রস রিজার্ভ বেড়ে ৩১ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলারে ঠেকেছে। গত ২৮ মাসের মধ্যে যা সর্বোচ্চ। সর্বশেষ ২০২৩ সালের মার্চের শুরুতে রিজার্ভ ৩২ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমেছিল। এরপর
দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ আরও কিছুটা বেড়ে এখন ২৭৬৭২.২ মিলিয়ন বা ২৭ দশমিক ৬৭ বিলিয়ন ডলার। বুধবার (২৫ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান
চলতি জুন মাসের প্রথম ২১ দিনেই প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ১৯৯ কোটি (১.৯৯ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার। দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ ২৪ হাজার ৪৬৪ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা হিসাবে)। রোববার
দেশের গ্রস বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে আবার ২৬ বিলিয়ন (১০০ কোটিতে এক বিলিয়ন) ডলার অতিক্রম করেছে। নিট রিজার্ভও বেড়ে দুই হাজার ৭৭ কোটি ডলার হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে রেমিট্যান্স প্রবাহ ও