বারবার ব্যাংক ঋণে সুদহার বৃদ্ধিতে চরম সংকটে পড়েছে বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তারা। ফলে ব্যবসা প্রসারসহ থমকে রয়েছে বিনিয়োগ। ব্যবসা ও বিনিয়োগে খরচ বেড়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন বেশির ভাগ উদ্যোক্তা। তারা বলছেন,
নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম না কমায় দেশের খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়েই চলেছে। অক্টোবরে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি ছিল ১২ দশমিক ৬৬ শতাংশ। নভেম্বরে সেটা দাঁড়িয়েছে ১৩. ৮০ শতাংশ। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই
নতুন করে ২২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ছাপিয়ে দুর্বল ৬টি ব্যাংককে দেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর।
কয়েকটি ব্যাংকের দুর্বল দশা পর্যবেক্ষণ করে গ্রাহকের আস্থা ফেরাতে ফের টাকা ছাপিয়ে সহায়তা দেওয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কয়েকটি ব্যাংকের দুর্বল দশা পর্যবেক্ষণ করে গ্রাহকের আস্থা ফেরানোর নামে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ
দুই দিনের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারো স্বর্ণের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম
চলতি বছরের নভেম্বর মাসের প্রথম ১৬ দিনে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় দেশে এসেছে ১২৫ কোটি ৫১ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার। যা দেশীয় মুদ্রায় দাঁড়ায় ১৫ হাজার ৪১ কোটি ৪৭
এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন বা আকুর দুই মাসের দায় পরিশোধের পর বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ১৮ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলারে (বিপিএম৬)। একই সময় বৈদেশিক মুদ্রায় গঠিত বিভিন্ন তহবিলসহ মোট রিজার্ভের পরিমাণ
চলতি মাস নভেম্বর মাসের প্রথম ৯ দিনে এসেছে ৬৫ কোটি ৫০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স। দেশীয় মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২০ টাকা ধরে) এর পরিমাণ প্রায় ৭ হাজার ৮৬০ কোটি টাকা। এ
টানা পৌনে তিন বছর ধরে সাধারণ ভোক্তারা চড়া মূল্যস্ফীতির যন্ত্রণায় ভুগছেন। দীর্ঘ সময় ধরে মূল্যস্ফীতি নামের চড়া কর দিয়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে ভোক্তারা। এর জন্য প্রধানত দায়ী ছিল বিগত সরকারের
সেপ্টেম্বরের মতো চলতি মাসেও প্রবাসী আয়ের গতি ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। অক্টোবরের প্রথম ২৬ দিনে ১৯৫ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। দেশীয় মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২০ টাকা ধরে) এর পরিমাণ প্রায়