দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এক মাসে বেড়েছে ২৪ কোটি ২ লাখ ১০ হাজার ডলার। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাবায়ন পদ্ধতি অনুসারে, বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ এক হাজার ৯৮০ কোটি
সেপ্টেম্বরের মতো চলতি মাসেও রেমিট্যান্স আয়ের গতি উর্ধ্বমূখী রয়েছে। অক্টোবরের প্রথম ১৯ দিনে ১৫৩ কোটি ২৬ লাখ ৬০ হাজার ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২০ টাকা
বাংলাদেশের ওপর বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের চাপ বেড়েই চলছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) যত বৈদেশিক ঋণ এসেছে দেশে, পরিশোধ করা হয়েছে তার চেয়ে অনেকটা বেশি। রোববার (২০ অক্টোবর) অর্থনৈতিক সম্পর্ক
বিশ্বের চলমান রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে স্বর্ণের মূল্য রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। এশীয়ার বাজারে প্রথমবারের মতো এক আউন্স স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৭১১.১৯ ডলার ছাড়িয়েছে। সেই হিসেবে দেশের বাজারেও যেকোনো সময় দামি
অক্টোবর মাসের প্রথম ১২ দিনে দেশে বৈধপথে ৯৮ কোটি ৬৬ লাখ ৪০ হাজার (৯৮৬ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ ১১ হাজার ৮৪০ কোটি টাকা (প্রতি ডলার
বাজারে প্রবাহ বাড়ায় আন্তঃব্যাংকে ডলারের দাম কিছুটা কমেছে। একই সঙ্গে আমদানি ও খোলাবাজারেও কিছুটা কমেছে। গত দুই মাস ধরে দেশে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ছে। একই সঙ্গে রপ্তানি আয়ও বেড়েছে।
২০ টাকা, ১০০ টাকা, ৫০০ টাকা ও হাজার টাকা নোট নতুন করে নকশা করার ঘোষণা দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। নতুন নোটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি থাকবে না। অর্থ মন্ত্রণালয় এবং
প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্সে গত মাস আগস্টের ধারাবাহিকতা রয়েছে চলতি মাস সেপ্টেম্বরেও। চলতি মাসের চার সপ্তাহেই দুই বিলিয়ন ডলার (২১১ কোটি ডলার) ছাড়িয়েছে রেমিট্যান্স, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২০
বাংলাদেশ ক্লিন এয়ার প্রজেক্টে (বিসিএপি) তিন শ’ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ সহায়তা দেবে বিশ্বব্যাংক। এ প্রকল্পে আইডিএ ক্রেডিটের মাধ্যমে অর্থায়ন করা হবে, পাশাপাশি জাতীয় বায়ু মান নিয়ন্ত্রণ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের নেয়া নানা সংস্কারের পাশে থাকবে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটি জানিয়েছে, অর্থনৈতিক সংস্কার, ডিজিটালাইজেশন, তারল্য, জ্বালানি এবং বিদ্যুৎ ও পরিবহনে সংস্কারের জন্য ৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দেয়া হবে।